Donald Trump Vs Emmanuel Macron: ম্যাক্রোঁর মেসেজের স্ক্রিনশট পোস্ট ট্রাম্পের! ফরাসি মদে ২০০% শুল্কের ভাবনা

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সহমত নন ম্যাক্রোঁ। এদিকে গাজা নিয়ে ট্রাম্পের 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগ দিতে চাইছেন না ম্যাক্রোঁ। এই সবের মাঝে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে মেসেজ করে একটি ডিনার আয়োজনের কথা বলেছিলেন। আর সেই মেসেজ ট্রাম্প পোস্ট করে দেন অনলাইনে।

Published on: Jan 20, 2026 12:58 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর করা মেসেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনল্ড ট্রাম্প। এরই সঙ্গে জানা যাচ্ছে, ফ্রান্সের মদের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপাতে পারেন ট্রাম্প। উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সহমত নন ম্যাক্রোঁ। এদিকে গাজা নিয়ে ট্রাম্পের 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগ দিতে চাইছেন না ম্যাক্রোঁ। এই সবের মাঝে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে মেসেজ করে একটি ডিনার আয়োজনের কথা বলেছিলেন। আর সেই মেসেজ ট্রাম্প পোস্ট করে দেন অনলাইনে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর করা মেসেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনল্ড ট্রাম্প।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর করা মেসেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্পের পোস্ট করা মেসেজে লেখা, 'প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর তরফ থেকে প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতি: বন্ধু, আমরা সিরিয়া নিয়ে সহমত। ইরানের বিষয়েও আমরা ভালো জিনিস করতে পারি। আমি তাই বুঝতে পারছি না, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে এটা আপনি কী করছেন। আমরা আবারও নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করি বরং। আমি ডাভোসের সম্মেলনের পরে প্যারিসে জি৭ দেশগুলির প্রধানদের নিয়ে একটি ডিনারের আয়োজন করতে পারি। সেখানে ইউক্রেনিয়ান, সিরিয়ান এবং রাশিয়ানদেরও আমন্ত্রণ জানাতে পারি।'

উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। আগামী জুন মাস পর্যন্ত যদি আমেরিকাকে গ্রিনল্যান্ড না দেওয়া হয়, তাহলে এই শুল্কের হার বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার পথে হাঁটতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে 'প্রতিশোধ' নেওয়া হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা বলেছেন, সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। এদিকে ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণায় ক্ষুব্ধ ইউরোপীয় নেতা ও কূটনীতিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপ মার্কিন-ইউরোপ সম্পর্ককে দুর্বল করতে পারে।

এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ডের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তার আগে গত ১৪ জানুয়ারি ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রীরা মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তাঁরা। তবে সেই বৈঠকে 'মৌলিক মতানৈক্য' থেকে গিয়েছে বলে জানিয়েছে ডেনমার্ক।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের যুক্তি, গ্রিনল্যান্ড যদি আমেরিকার না হয়, তাহলে রাশিয়া বা চিন তা দখল করে নেবে। এদিকে ট্রাম্পের এই 'ভয়' দূর করতে ডেনমার্ক এবং ইউরোপের দেশগুলি গ্রিনল্যান্ডে সেনা মোতায়েন করছে। এদিকে ট্রাম্প চাইছে, গ্রিনল্যান্ড যে করেই হোক আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে আসুক। গ্রিনল্যান্ডে ইতিমধ্যেই মার্কিন ঘাঁটি আছে। তবে তাতে ট্রাম্পের মন ভরছে না। এই পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড দখল করার ক্ষেত্রে সামরিক শক্তি প্রয়োগেরও ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ তো আবার বলেছেন, ৫০০ বছর আগে ড্যানিশরা কয়েকটা জাহাজ অবতরণ করেছিল বলেই গ্রিনল্যান্ড তাদের হয়ে যায় না।