Delhi Terrorist Attack: প্রমাণ নষ্ট, 'জঙ্গি ডাক্তার' উমরকে লুকিয়েছিল- দিল্লি হামলায় ধৃত অষ্টম জন বিলাল

গত মাসে দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটনায় অষ্টম জনকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। গত ১০ নভেম্বর সেই বিস্ফোরণ ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের। কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। জঙ্গি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মামলাটি তদন্ত করছে সংস্থাটি।

Published on: Dec 09, 2025 8:35 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত মাসে দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটনায় অষ্টম জনকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। গত ১০ নভেম্বর সেই বিস্ফোরণ ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের। কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। জঙ্গি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মামলাটি তদন্ত করছে সংস্থাটি। এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লার বাসিন্দা বিলাল নাসির মাল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিলাল ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান ছিল। প্রাথমিক তদন্তে তার ভূমিকা উঠে এসেছে।

প্রমাণ নষ্ট, 'জঙ্গি ডাক্তার' উমরকে লুকিয়েছিল- দিল্লি হামলায় ধৃত অষ্টম জন বিলাল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি)
প্রমাণ নষ্ট, 'জঙ্গি ডাক্তার' উমরকে লুকিয়েছিল- দিল্লি হামলায় ধৃত অষ্টম জন বিলাল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি)

তদন্তে জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত তথা মৃত উমর উন নবীকে আশ্রয় দিয়েছিল বিলাল। তাকে লুকিয়ে থাকতে সহায়তা করছিল। বরং তাকে লজিস্টিক সহায়তাও দিচ্ছিলেন। প্রকৃত ষড়যন্ত্র ও আসামিদের পরিচয় গোপন করতে প্রমাণ নষ্ট করারও চেষ্টা করেছিল বিলাল। তারইমধ্যে এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে যে এই বিস্ফোরণের পিছনে পুরো ষড়যন্ত্র উন্মোচন করতে তারা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সংস্থাগুলির সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: Microsoft investment in India: ‘এশিয়ায় ইতিহাস….’, ভারতে ১.৪ লাখ কোটি টাকা ঢালবে মাইক্রোসট, বাংলার কপালে জুটবে?

উল্লেখ্য, দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি ডাক্তারদের নেটওয়ার্ক সামনে এসেছে। লাইভ হিন্দুস্তানের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিদেশে বসবাসের লক্ষ্যেই জঙ্গি নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছিল। দিল্লিতে বোমা বিস্ফোরণের আগে ভিসা নিয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সূত্রের খবর, প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বিদেশে বসবাসের স্বপ্ন দেখছিল ‘জঙ্গি ডাক্তার’। বিদেশের বিলাসিতার প্রতি বেশি আকৃষ্ট ছিল। এ কারণে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ এবং অপর ‘জঙ্গি ডাক্তার’ মুজাম্মিলের সঙ্গে ‘নিকাহের’ (জেরায় মুজাম্মিল তেমনই দাবি করেছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে) পিছনে এটিও মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই আকাঙ্ক্ষাই তাকে জঙ্গি নেটওয়ার্কের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল। দিল্লি বিস্ফোরণের সাত দিন আগে তিনি তার পাসপোর্ট যাচাইয়ের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু পুলিশ প্রাসঙ্গিক রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি। এ কারণে দেশের বাইরে যেতে পারেননি।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে ভেঙে টুকরো-টুকরো করে ফেলতে চায় ইসলামাবাদই! নেপথ্যে কি বড় ছক?

লাইভ হিন্দুস্তানের রিপোর্ট অনুযায়ী, মুজম্মিল আহমেদ ও তার নেটওয়ার্কের বাকি চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ কারণে সে ভয় পেয়ে গিয়েছিল যে পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করবে। একইসঙ্গে ‘জঙ্গি ডাক্তার’ ওমরও আত্মগোপন করছিল। এ কারণে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশ ছেড়ে পালানোর প্রস্তুতিও নিচ্ছিল। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন টিম) যখন তাকে আল-ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসে, তখন তার লকার পরীক্ষা করা হয়। এ সময় আরব দেশগুলোর মুদ্রাও পাওয়া যায়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণালঙ্কারও।

আরও পড়ুন: China on Modi-Putin meet: পুতিনের ভারত সফরে উৎফুল্ল চিন, বলল যে 'আমরা ৩ দেশ মিলে..…', নিশানায় আমেরিকায়?