Europe-Trump Tension over Greenland: ৮ দেশের ওপর ১০% শুল্ক, ট্রাম্পের জ্বালায় আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ইউরোপ?

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। আগামী জুন মাস পর্যন্ত যদি আমেরিকাকে গ্রিনল্যান্ড না দেওয়া হয়, তাহলে এই শুল্কের হার বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প।

Published on: Jan 19, 2026 9:07 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালায় এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জানা গেছে, রবিবার এ বিষয়ে একটি বৈঠকও হয়েছে। উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। আগামী জুন মাস পর্যন্ত যদি আমেরিকাকে গ্রিনল্যান্ড না দেওয়া হয়, তাহলে এই শুল্কের হার বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার পথে হাঁটতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। (REUTERS)
গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ। এমনই ৮টি দেশের বিরুদ্ধে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। (REUTERS)

এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে 'প্রতিশোধ' নেওয়া হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা বলেছেন, সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। এদিকে ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণায় ক্ষুব্ধ ইউরোপীয় নেতা ও কূটনীতিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপ মার্কিন-ইউরোপ সম্পর্ককে দুর্বল করতে পারে।

এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ডের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তার আগে গত ১৪ জানুয়ারি ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রীরা মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওর সঙ্গে ১৪ জানুয়ারি বৈঠকে বসেছিলেন ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন এবং ভিভিয়ান মোটজফেল্ড। তবে সেই বৈঠকে 'মৌলিক মতানৈক্য' থেকে গিয়েছে বলে জানিয়েছে ডেনমার্ক।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের যুক্তি, গ্রিনল্যান্ড যদি আমেরিকার না হয়, তাহলে রাশিয়া বা চিন তা দখল করে নেবে। এদিকে ট্রাম্পের এই 'ভয়' দূর করতে ডেনমার্ক এবং ইউরোপের দেশগুলি গ্রিনল্যান্ডে সেনা মোতায়েন করছে। এদিকে ট্রাম্প চাইছে, গ্রিনল্যান্ড যে করেই হোক আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে আসুক। গ্রিনল্যান্ডে ইতিমধ্যেই মার্কিন ঘাঁটি আছে। তবে তাতে ট্রাম্পের মন ভরছে না। এই পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড দখল করার ক্ষেত্রে সামরিক শক্তি প্রয়োগেরও ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ তো আবার বলেছেন, ৫০০ বছর আগে ড্যানিশরা কয়েকটা জাহাজ অবতরণ করেছিল বলেই গ্রিনল্যান্ড তাদের হয়ে যায় না।