Ex Pentagon Officer on Munir: ভারতের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুনিরকে গ্রেফতার করা উচিত আমেরিকার, বললেন প্রাক্তন পেন্টাগন অফিসার

মাইকেল রুবিন বললেন, ভারতের প্রতি দুর্ব্যবহারের জন্য আমেরিকার ক্ষমা চাওয়া উচিত। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানি সেনাপ্রধানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।

Published on: Dec 06, 2025 12:19 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের আচরণে ভারতের অনেকেই ক্ষুব্ধ। এই আবহে পেন্টাগনের প্রাক্তন কর্মকর্তা মাইকেল রুবিন বললেন, ভারতের প্রতি দুর্ব্যবহারের জন্য আমেরিকার ক্ষমা চাওয়া উচিত। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানি সেনাপ্রধানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।

মাইকেল রুবিন বললেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। (AFP)
মাইকেল রুবিন বললেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। (AFP)

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে মাইকেল রুবিন বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকাকে সমর্থন করার কোনও যুক্তি নেই। তিনি বলেন, 'পাকিস্তানকে কৌশলগতভাবে গ্রহণ করার মার্কিন সিদ্ধান্তের কোনও যৌক্তিকতা নেই। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির যদি আমেরিকায় আসেন, তাহলে তাঁকে সম্মান করা উচিত নয়, বরং তাঁকে গ্রেফতার করে কারাগারে ঢোকানো উচিত।' জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে পেন্টাগনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী রুবিন বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন গত এক বছরে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এর জন্য তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি বলেন, 'আমাদের পর্দার আড়ালে নীরব কূটনীতি দরকার এবং হয়তো এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ভারতের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। আমি জানি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমা চাইতে পছন্দ করেন না, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সব গণতন্ত্রের স্বার্থ যে কোনও ব্যক্তির অহংকারের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।'

উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ট্রাম্প একাধিকবার ভারত-পাকের সংঘর্ষবিরতিতে মধ্যস্থতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছেন। তাঁর দাবি, বাণিজ্য আলোচনাকে হাতিয়ার করে ভারত-পাক সংঘাত থামান তিনি। তবে নয়াদিল্লি বারবার এই দাবি অস্বীকার করে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার সংঝোতা দ্বিপক্ষীয়ভাবে হয়েছে। পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) ভারতীয় ডিজিএমও-কে ফোন করে হামলা ব্ধের আর্জি জানিয়েছিলেন। এই আবহে ভারত এবং আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। অন্যদিকে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল পাকিস্তান। তবে ভারত সেই সবে পাত্তা দেয়নি। ট্রাম্প প্রায় সময়ই জপ করার মতো দাবি করে চলেন, তিনি ৭-৮টা যুদ্ধ থামিয়েছেন। এই সবের মাঝেই ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপিয়েছেন ট্রাম্প। মোদীকে একটা সময় ৪ বার ফোন করলেও মোদী কথা বলেননি ট্রাম্পের সঙ্গে। জি৭ সম্মেলনের সময় ফোনে কথোপকথন চলাকালীন ট্রাম্পের সংঘর্ষবিরতি দাবির বিরুদ্ধে সরবও হয়েছিলেন মোদী। তবে ট্রাম্পের দাবি ছিল, তিনি নাকি বাণিজ্যকে হাতিয়ার করে ভারত-পাক যুদ্ধ থামিয়েছিলেন। তবে সেই বাণিজ্য চুক্তি আজও সম্পন্ন হল না ভারত-আমেরিকার সঙ্গে।