Ex US Diplomat on Bangladesh: বাংলাদেশে ডিপ স্টেটের পর্দা ফাঁস হতেই বেজায় চটলেন হাসিনা বিরোধী প্রাক্তন মার্কিন দূত

জন ড্যানিলোউইচের বক্তব্য, ওয়াশিংটন পোস্ট যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, তাতে মার্কিন দূতের নাম প্রকাশ করেনি। তবে ব্রিটিশ নিবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকরারনইন সায়ের সামি সেই কথোপকথনের অডিয়ো ভাইরাল করে দিয়েছেন। তাতে সেই মার্কিন দূতের পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসবে।

Published on: Jan 24, 2026 10:42 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশে জামাতের সঙ্গে 'বন্ধুত্বের' বার্তা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন মার্কিন দূত। এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো বার্তা ভাইরাল হয়েছে। আর তাতেই বেজায় চটেছেন হাসিনা বিরোধী প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রজদূত জন ড্যানিলোউইচ। এই আবহে মার্কিন দূত এবং জামাতপন্থী সাংবাদিকের কথোপকথন ভাইরাল করে দেওয়া ব্রিটিশ নিবাসী সাংবাদিককে তোপ দেগেছেন জন ড্যানিলোউইচ।

মার্কিন দূত এবং জামাতপন্থী সাংবাদিকের কথোপকথন ভাইরাল করে দেওয়া ব্রিটিশ নিবাসী সাংবাদিককে তোপ দেগেছেন জন ড্যানিলোউইচ।
মার্কিন দূত এবং জামাতপন্থী সাংবাদিকের কথোপকথন ভাইরাল করে দেওয়া ব্রিটিশ নিবাসী সাংবাদিককে তোপ দেগেছেন জন ড্যানিলোউইচ।

জন ড্যানিলোউইচের বক্তব্য, ওয়াশিংটন পোস্ট যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, তাতে মার্কিন দূতের নাম প্রকাশ করেনি। তবে ব্রিটিশ নিবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকরারনইন সায়ের সামি সেই কথোপকথনের অডিয়ো ভাইরাল করে দিয়েছেন। তাতে সেই মার্কিন দূতের পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসবে। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার তথাকথিত অডিয়ো প্রকাশ করার পর এই ড্যানিলোউইচ খুব খুশি হয়েছিলেন। তবে এখন মার্কিন ডিপ স্টেটের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি রেগে লাল।

প্রসঙ্গত, ইউনুস জমানায় একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন এই ড্যানিলোউইচ। এদিকে জামাতের সঙ্গে যোগ দেওয়া এনসিপি নেতাদের সঙ্গেও জনের গোপন বৈঠক হয়েছিল বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক 'দৃশ্যপট শক্তিশালী' করতে ২৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছিল ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি। এই সবর কিছুর মাঝে মার্কিন ডিপ স্টেট নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ে। হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভে ড্যানিলোউইচের ভূমিকা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। আর আসন্ন নির্বাচনের আগে মার্কিন কূটনীতিকের সঙ্গে বাংলাদেশি সাংবাদিকের অডিয়ো ভাইরাল হতেই ডিপ স্টেট নিয়ে চর্চা আরও বেড়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর ঢাকায় এক জামাতপন্থী মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে কথা হয়েছিল মার্কিন কূটনীতিকের। সেই কথোপকথনের সময় নাকি মার্কিন দূত 'আশা' ব্যক্ত করেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেকোনও সময়ের সবচেয়ে ভালো করবে জামাত। এমনকী তাঁকে আরও বলতে শোনা যায়, 'আমরা (আমেরিকা) চাই তারা (জামাত) আমাদের বন্ধু হোক'। এই বৈঠকটি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হয়েছিল। সেখান থেকেই এই কথোপকথনের রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের পাশাপাশি আলজাজিরাও এই রেকর্ডিং হাতে পেয়েছে।

এদিকে ভাইরাল অডিয়োতে শোনা যায়, সেই বাংলাদেশি সাংবাদিককে মার্কিন কূটনীতি বলছেন, জামাতের ছাত্র সংগঠনের নেতাকে মিডিয়ায় নিয়ে আসতে আগ্রহী তারা। এদিকে কথোপকথনে মার্কিন কূটনীতিক আরও জানান, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হাসিনার বিচার গ্রহণযোগ্য না হলেও এর রায়ে তারা সন্তুষ্ট। এদিকে বিএনপির ওপর জামাত এবং ইউনুস সরকার যে চাপ সৃষ্টি করেছে, তাতেও মার্কিনিরা আপ্লুত বলে জানান সেই মার্কিন দূত।

জামাতের সঙ্গে 'বন্ধুত্ব' করতে চাইলেও মার্কিন দূত স্পষ্ট করে দেন, যদি তাদের কথা মতো জামাত না চলে, সেই ক্ষেত্রে পরদিনই ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে বাংলাদেশের সঙ্গে কার্যত বাণিজ্য বন্ধ করে দেবে আমেরিকা। এদিকে বাংলাদেশকে কোনও ভাবে চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখতেও বারণ করেন সেই কূটনীতিক। এদিকে বাংলাদেশে জামাত ক্ষমতায় এলে শরিয়া আইন কার্যকর করা হবে বলে 'বিশ্বাস করেন না' বলে জানান সেই কূটনীতিক।