ডিউটির মধ্যে আপত্তিকর আচরণ! অশ্লীল ভিডিও ঘিরে বিতর্কের ঝড়, সাসপেন্ড কর্ণাটকের ডিজিপি

মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বিষয়টি জানার পর এবং ভিডিও দেখার পরে ‘ভীষণ ক্ষুব্ধ’ হয়েছেন।

Published on: Jan 20, 2026 11:51 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কর্ণাটক পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় বিতর্ক। সোনা পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে জেলবন্দি রয়েছেন তাঁর মেয়ে অভিনেত্রী রান্যা রাও। এবার ফাঁস হয়ে গেল পুলিশকর্তার আপত্তিকর ভিডিও। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও'তে দেখা যাচ্ছে, উর্দি পরিহিত অবস্থাতেই এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে রয়েছেন রাজ্যের ডিজিপি পদমর্যাদার আইপিএস অফিসার ডঃ কে রামচন্দ্র রাও। ডিজিপি অফিসের অন্দরের এই গোপন রেকর্ডিং প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলাদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় থাকা একাধিক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই কর্ণাটকের পুলিশের কর্তা রামচন্দ্র রাওকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাসপেন্ড কর্ণাটকের ডিজিপি (HT_PRINT)
সাসপেন্ড কর্ণাটকের ডিজিপি (HT_PRINT)

যদিও ওই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। তবে ওই ভিডিও ক্লিপগুলিতে রামচন্দ্র রাওকে তাঁর অফিসে মহিলাদের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। কিছু অশ্লীল অডিও ক্লিপও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে রাওকে মহিলাদের সঙ্গে অশ্লীল কথা বলতে শোনা গিয়েছে। ওই বরখাস্তের বয়ানে লেখা রয়েছে, 'রামচন্দ্র রাও অশ্লীল আচরণ করেছেন যা একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য শোভনীয় নয় এবং সরকারের জন্যও বিব্রতকর।' রাজ্য সরকার নিশ্চিত যে রাওয়ের আচরণ নিয়ম লঙ্ঘন করছে। তদন্তাধীন অবস্থায় ডিরেক্টরেট অব সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্টের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ কে রামচন্দ্র রাওকে অবিলম্বে কার্যকরভাবে বরখাস্ত করা প্রয়োজন বলে রাজ্য সরকার প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। ওই বরখাস্তের বয়ান অনুযায়ী, এই সাসপেনশন চলাকালীন রামচন্দ্র রাও রাজ্য সরকারের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও পরিস্থিতিতে সদর দফতর ত্যাগ করতে পারবেন না।

এদিকে, কে রামচন্দ্র রাও অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছেন এবং এগুলিকে 'বানানো এবং মিথ্যা' বলে দাবি করেছেন। সোমবার এই ভিডিওগুলি ভাইরাল হতেই তিনি কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে ছুটে যান। কিন্তু সাক্ষাৎ হয়নি। তবে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রামচন্দ্র বলেন, 'আমি হতবাক। এটা সবই বানানো এবং মিথ্যা। ভিডিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার এই সম্পর্কে কোন ধারণা নেই।' তিনি আরও বলেন, 'আমিও ভাবছি এটা কীভাবে এবং কখন ঘটল এবং কে এটা করেছে। এই যুগে যে কোনও কিছুই ঘটতে পারে। এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।’ ভিডিওগুলি পুরনো কিনা জানতে চাইলে ১৯৯৩ ব্যাচের এই আইপিএস কর্মকর্তা বলেন, ’পুরনো মানে আট বছর আগের কথা, যখন আমি বেলাগাভিতে ছিলাম।’ অন্যদিকে, ঘটনার রেশ পৌঁছেছে কর্ণাটক সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বিষয়টি জানার পর এবং ভিডিও দেখার পরে ‘ভীষণ ক্ষুব্ধ’ হয়েছেন। তিনি স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে অবিলম্বে ব্যাখ্যা তলব করেছেন, পুলিশ প্রশাসনের নজরের মধ্যেই এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা জানতে চেয়েছেন।