Family Background of Sajid Akram: বাবা ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীতে, ছেলে সাজিদ আকরাম হয়ে উঠল সন্ত্রাসী!
১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সে হায়দরাবাদের টোলি চৌকির আল হাসনাত কলোনিতে থাকত। আর তার বাবা ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ২০০৯ সালেই তিনি প্রয়াত হন। তবে বাবার মৃত্যুর পরেও ভারতে আসেনি সাজিদ আকরাম।
সিডনির বন্ডি বিচে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সন্দেহভাজন সাজিদ আকরাম ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। যদিও বিগত প্রায় তিন দশক ধরে তিনি আর ভারতে পা রাখেনি। তবে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সে হায়দরাবাদের টোলি চৌকির আল হাসনাত কলোনিতে থাকত। আর তার বাবা ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ২০০৯ সালেই তিনি প্রয়াত হন। তবে বাবার মৃত্যুর পরেও ভারতে আসেনি সাজিদ আকরাম। এদিকে সাজিদের ভাইয়ের নাম শহিদ। তিনি পেশায় চিকিৎসক।

তেলঙ্গানা পুলিশ জানিয়েছে, ২০০১ সাল নাগাদ নিজের স্ত্রীকে নিয়ে একবার হায়দরাবাদ এসেছিল সাজিদ। সব মিলিয়ে গত ২৭ বছরে মাত্র ৬ বার ভারতে এসেছিল সে। সিডনি সমুদ্র সৈকতে হামলা চালানো বাবা ও ছেলে গত মাসে ফিলিপিন্সে গিয়েছিল। ফিলিপিন্সের অভিবাসন দফতর জানিয়েছে, সাজিদ আকরাম ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে এবং ছেলে নাভিদ আকরাম অস্ট্রেলিয়ার পাসপোর্ট নিয়ে ফিলিপিন্স গিয়েছিল। পরে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশও নিশ্চিত করে যে সাজিদ ভারতীয়। এরপর তেতলঙ্গনার ডিজিপি জানান, সাজিদ হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিল। ১৯৯৮ সালে সে অস্ট্রেলিয়ায় চলে গিয়েছিল স্টুডেন্টস ভিসায়। এরপর বিগত ২৭ বছরে নিজের পরিবারের সঙ্গে খুবই সীমিত সম্পর্ক রেখেছিল সে। ২০০৯ সালে তার বাবা মারা গিয়েছিল। তবে সাজিদ সেই সময়ও ভারতে আসেনি। জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে সাজিদের স্টুডেন্টস ভিসা বদলে হয়েছিল পার্টনার ভিসায়। তারপর তা হয়েছিল রেসিডেন্ট রিটার্ন ভিসা। এদিকে সাজিদের ছেলে নাভিদ অস্ট্রেলিায় জন্ম নেওয়ায় সেই দেশেরই নাগরিক।
এদিকে ভারতীয় হলেও আকরামের এই হামলার ধারণা বা মতাদর্শ কোনও ভাবেই ভারত থেকে যায়নি বলে জোর দিয়ে দাবি করেছে তেলঙ্গনা পুলিশ। বরং জানা গিয়েছে, ফিলিপিন্স সফরের সময় সাজিদ এবং তার ছেলে সেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ মিন্দানাওয়ে গিয়েছিল। উল্লেখ্য, মিন্দানাওয়ের মধ্য ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ইসলামপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয়। তথ্য অনুসারে, নাভিদ ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সিডনিতে আরবি এবং ধর্মীয় কোর্স নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে নাভিদ প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ান ইন্টেলিজেন্সের নজরে পড়েছিল বলেও জানা যাচ্ছে। তবে তখনও নাকিতার মধ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার মতো কোনও হুমকির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। বরং নাভিদের পরিচিত কয়েকজনকে নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে নাভিদের ওপর নজর পড়েছিল অজি গোয়েন্দাদের। বন্দি বিচের হামলায় সাজিদের মৃত্যু ঘটে। আর নাভিদ জখম অবস্থায় এখনও হাসপাতালে ভরতি আছে।












