Faridabad Terrorist Link: লালকেল্লার বিস্ফোরণের পর থেকে ২০০০ কাশ্মীরি পড়ুয়া, ভাড়াটিয়াদের জেরা ফরিদাবাদে
এখনও পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এবং ভাড়াটিয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পুলিশ এই 'হোয়াইট কলার টেরর মডিউল' সম্পর্কিত আরও কোনও সূত্র আছে কিনা তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। দিল্লি বিস্ফোরণের আগে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যক্ত একাধিক ডাক্তারকে ধরে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।
১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পরে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ডক্তার মডিউলে তদন্ত জোরদার করেছে। এই আবহে সোমবারও ফরিদাবাদে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক কাশ্মীরি ছাত্র এবং অন্যান্য ভাড়াটিয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এবং ভাড়াটিয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পুলিশ এই 'হোয়াইট কলার টেরর মডিউল' সম্পর্কিত আরও কোনও সূত্র আছে কিনা তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, দিল্লি বিস্ফোরণের আগে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যক্ত একাধিক ডাক্তারকে ধরে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অস্ত্র, বিস্ফোরক, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সহ বেশ কয়েকটি অপরাধমূলক জিনিস উদ্ধার করে। এই আবহে শুরু হয় আন্তঃরাজ্য তদন্ত। বিস্ফোরণের পর দিল্লি, ফরিদাবাদ ও জম্মু ও কাশ্মীরে ধারাবাহিক অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
এখনও পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এবং ভাড়াটিয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
সোমবার ফরিদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের দলটি আবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছে বিস্ফোরণ মডিউল সম্পর্কিত তদন্ত করে। উল্লেখ্য, উমর মহম্মদের আত্মঘাতী বিস্ফোরণে দিল্লিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন। তবে উমর মহম্মদ, মুজাম্মিল, শাহিনরা আরও বড় হামলার ছক কষেছিল বলে জানা যাচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উমরের বাসায় অভিযান চালানোর সময় একটি বোমা 'কারখানা' পাওয়া গিয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি পরীক্ষার সরঞ্জামও ছিল। ফরিদাবাদ থেকে মুজাম্মিলকে গ্রেফতারের পরপরই নাকি উমরের ল্যাবের বিষয়ে জানতে পেরেছিলেন তদন্তকারীরা। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে অবস্থানরত জইশ হ্যান্ডলার ফয়সাল, হাশিম ও উকাশার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল মুজাম্মিল ও আদিলের। তারা টেলিগ্রামের মাধ্যমে কথা বলত। এদিকে পাকিস্তান থেকে উমরকে বোমা তৈরির ভিডিয়ো পাঠানো হয়েছিল। বিস্ফোরণের আগে এই তদন্ত চলাকালীন, ফরিদাবাদের দুটি জায়গা থেকে ৩৫৮ কেজি এবং ২৫৬৩ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল।
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে উমর আই২০ গাড়িতে যে আইইডি রেখেছিল, তা সঠিকভাবে অ্যাসেম্বল করা হয়নি। এই আইইডি সে নিজের বাড়িতেই প্রস্তুত করেছিল। সেই গাড়িতে প্রায় ২০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বোঝাই ছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, হরিয়ানার নুহ থেকে নগদে বিপুল পরিমাণ ফার্টিলাইজার কিনেছিল উমর। সেই নগদ টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে তার কাছে এসে পৌঁছেছিল। এই আবহে একাধিক হাওয়ালা ডিলারকে আটক করে জেরা করা হচ্ছে। আত্মঘাতী হামলাকারী উমর জইশ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল বলেও জানা গিয়েছে তদন্তে।
News/News/Faridabad Terrorist Link: লালকেল্লার বিস্ফোরণের পর থেকে ২০০০ কাশ্মীরি পড়ুয়া, ভাড়াটিয়াদের জেরা ফরিদাবাদে