Ghaziabad: গাজিয়াবাদে তিন বোনের মৃত্যুতে নয়া পর্ব! বাবার লিভ-ইন পার্টনারের মৃত্যু বেশ রহস্যের
নয়া এক রিপোর্টে ওই তিন বোনের বাবার লিভ ইন পার্টনারকে নিয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
গাজিয়াবাদে তিন বোনের মৃত্যুর ঘটনায় চলছে তদন্ত। তারই মধ্যে একের পর এক রিপোর্টে ওই তিন বোনের বাবা চেতন কুমারকে ঘিরে বেশ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এরই মাঝে তিন বোনের বাবা চেতন কুমারের প্রাক্তন লিভ ইন পার্টনারের মৃত্যু ঘিরেও রহস্য উঠে আসছে।
চেতনের প্রাক্তন লিভ ইন পার্টনারের ২০১৫ সালে মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রের খবর তাঁর রহস্যময় পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়। ২০২৫ সালে রাজেন্দ্র নগর কলোনির এক বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে চেতনের লিভ ইন পার্টনারের মৃত্যু হয়। এদিকে, নিশিকা, প্রাচী, পাখি এই তিন বোন রেসিডেন্সি এলাকার বহুতল থেকে পড়ে গিয়ে মারা যায়। এদের বয়স ১৬ থেকে ১২র মধ্যে। প্রসঙ্গত, এই ৩ জনের মৃত্যু ও চেতনের লিভ ইন পার্টনারের মৃত্যু দুটোই উপর থেকে পড়ে হয়েছে। ফলত, রহস্য ও প্রশ্ন দুটোই দানা বাঁধছে।
তদন্ত প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, তিন বোনের, কোরিয়ান অ্যাপের প্রতি আকর্ষণ ও কোরিয়ার সংস্কৃতির প্রতি আকর্ষণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁদের বাবা চেতন তাদের ফোন কেড়ে নেন। পরে তারা মায়ের ফোন নিয়ে ওই ফোনে কোরিয়ান অ্যাপ ঢোকানোর চেষ্টা করে। তবে পারেনি। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তিন বোন আত্মহত্যা করে।
এনডিটিভির রিপোর্ট, বলছে, চেতন পেশায় একজন স্টক ব্রোকার। বাজারে তাঁর ২ কোটি টাকা রয়েছে দেনা। পুলিশকে উল্লেখ করে এই রিপোর্ট বলছে, চেতন কুমারের তিন স্ত্রী। এই তিন স্ত্রীই একে অপরের বোন। আর তাঁদের কন্যা সন্তানরাই মারা গিয়েছে। আত্মহত্যার চিঠিতে ওই তিন কন্যা তাদের বাবার নাম উল্লেখ করেছে। সব মিলিয়ে এই খুনের ঘটনা বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
E-Paper











