Gold and Silver Price Prediction: সোনা-রুপোর দাম কি আরও বাড়বে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
ফের একবার বাড়তে শুরু করেছে সোনা এবং রুপোর দাম। এশিয়ান ট্রেডিংয়ের প্রথম ঘণ্টাগুলিতে স্পট গোল্ড প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ৫০৩৯ ডলার প্রতি আউন্সে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে, স্পট সিলভার ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৯.৩৪ ডলার প্রতি আউন্সে পৌঁছেছে।
আজও বাড়ল সোনা-রুপোর দাম। এই নিয়ে টানা তৃতীয় দিন সোনা ও রুপোর দাম বেড়েছে। এর আগে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল সোনা এবং রুপোর মূল্য। পরে বিশাল পতন হয়েছিল সোনা ও রুপোর দামে। এর জেরে বিনিয়োগকারীদের মাথায় হাত পড়েছিল। তবে ফের একবার বাড়তে শুরু করেছে সোনা এবং রুপোর দাম। এশিয়ান ট্রেডিংয়ের প্রথম ঘণ্টাগুলিতে স্পট গোল্ড প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ৫০৩৯ ডলার প্রতি আউন্সে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে, স্পট সিলভার ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৯.৩৪ ডলার প্রতি আউন্সে পৌঁছেছে।

এর আগে বুধবার সোনা ২৯ জানুয়ারির রেকর্ড উচ্চতা থেকে ১১ শতাংশ নীচে ছিল। তবে গত একবছরের তুলনায় তা ১৫ শতাংশ ওপরে ছিল। এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি বৈঠকে বসতে চলেছে। এর আগে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণেই সোনা ও রুপোর দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মেহতা ইক্যুইটিজের কমোডিটিজ বিভাগের ভিপি রাহুল কলান্তরি জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানি ড্রোন ধ্বংস করার পরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, আর তাই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনা-রুপোর ক্রয় বেড়েছে বাজারে।
সোনা-রুপোর দাম কি আরও বাড়বে? অনেকেই সোনার মূল্য বৃদ্ধির আশা করে বাজি ধরছে। এই আবহে ডয়চে ব্যাঙ্ক এজি বিশ্বাস করছে যে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাকস দাবি করেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ৫৪০০ ডলারের ওপরেই থাকবে প্রতি আউন্স সোনার মূল্য।
তবে সোনা বা রুপো কি কিনবেন? এনরিচ মানির সিইও পোনমুডি আর বলেছেন যে কোমেক্স গোল্ড ৫০০০-৫১০০ ডলারের পরিসরে লেনদেন করছে। যা আপাতত স্থিতিশীল থাকতে পরে। প্রতি আউন্সে ৪৬০০-৪৮০০ ডলার পর্যায়ে 'সাপোর্ট' রয়েছে সোনার। এদিকে সোনা যদি ৫১০০-৫২০০ ডলারের এর উপরে ব্রেকআউট করতে পারে, তাহলে পুরানো রেকর্ডের কাছাকাছি পর্যায়ে চলে যেতে পারে সোনা। রুপো সম্পর্কে, পোনমুডি বলেছিলেন যে কোমেক্স সিলভার ৭৯-৯০ ডলারের পরিসরে স্থিতিশীল। বিশাল পতনের পরে রুপো ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী গতিতে ফিরেছে। ৭৪-৮৯ ডলার পর্যায়ে 'সাপোর্ট' রয়েছে রুপোর। ১০০-১০৫ ডলারের উপরে ব্রেকআউট হলে রুপো ১১৬-১২১ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে। সরবরাহে ঘাটতি এবং শিল্পের চাহিদা বৃদ্ধির জেরে রুপোর ঊর্ধ্বমুখী গতি অব্যাহত থাকতে পারে।
E-Paper











