Hearing in US on China-India: কাছাকাছি এসেছে ভারত-চিন, চিন্তায় পড়েছে আমেরিকা, হবে শুনানি

আমেরিকা ও চিনের সাথে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আগামী মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি করতে চলেছে। শুনানিটি ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি ২০২৬ রিপোর্টিং চক্রের প্রথম গণশুনানি হবে। এই কমিশনের লক্ষ্য মার্কিন-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে ভারতের অবস্থান মূল্যায়ন করা।

Published on: Jan 30, 2026 8:56 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মার্কিন-চিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশন (ইউএসসিসি) ঘোষণা করেছে যে তারা আমেরিকা ও চিনের সাথে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আগামী মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি করতে চলেছে। শুনানিটি ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি ২০২৬ রিপোর্টিং চক্রের প্রথম গণশুনানি হবে। এই কমিশনের লক্ষ্য মার্কিন-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে ভারতের অবস্থান মূল্যায়ন করা। উল্লেখ্য, চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ন্ত্রণে ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে দেখে ওয়াশিংটন।

আমেরিকা ও চিনের সাথে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আগামী মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি করতে চলেছে।
আমেরিকা ও চিনের সাথে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আগামী মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি করতে চলেছে।

উল্লেখ্য, আমেরিকার শুল্কের চাপে ভারত এবং চিন কাছাকাছি এসেছে। গালওয়ান পরবর্তী দূরত্ব মিটিয়ে নিজেদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে দুই দেশ। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পরে চালু হয়ছে ভারত-চিন উড়ান পরিষেবা। ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে বেশ কিছু পণ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে চিন। ভারত-চিনের এই ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তি বেড়েছে আমেরিকায়। পুতিন, মোদী এবং জিনপিংয়ের করমর্দনের ছবি আমেরিকার প্রতিটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল। এই সবের মাঝে আমেরিকার সঙ্গে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের কোয়াড জোটের অস্তিত্ব প্রশ্নচিহ্নের সম্মুখীন হয়েছে। তাই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে আমেরিকা কী ভাবছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এর আগে গালওয়ান সংঘর্ষের পর চিনা বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারত। সেই বিধিনিষেধ শিথিল করে ভারত। তারপর থেকেই মার্কিন নীতিনির্ধারকরা ভারত-চিন সম্পর্কের ওপর নজর রাখছে। এই আবহে আসন্ন সুনানিতে ভারত-চিন সীমান্ত বিবাদ, ইন্দো-প্যাসিফিকে ভারতের ভূমিকা, চিনের প্রতি ভারতের মনোভাব নমনীয় হওয়া, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ভারত ও চিন, সাপ্লাই চেনের মতো ইস্যুতে আলোচনা হবে সেই শুনানিতে। দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সীমান্ত উত্তেজনার পর ভারত ও চিনের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা এবং ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আর তা নিয়েই কিঞ্চিৎ হলেও কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আমেরিকার।