Hindu Muktijoddha Couple Murdered: বিজয়ের মাসে বাংলাদেশের রংপুরে নিজের বাড়িতে খুন মুক্তিযুদ্ধে লড়াই করা হিন্দু দম্পতি

রিপোর্ট অনুযায়ী, রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে খুন করা হয়েছে। নিহত যোগেশবাবুর বয়স ৭৫ বছর, নিহত সুবর্ণাদেবীর বয়স ৬০ বছর।

Published on: Dec 07, 2025 2:35 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভ করেছিল বাংলদেশ। এই আবহে ডিসেম্বরকে বিজয়ের মাস হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেই দেশে। যদিও হাসিনার বিদায়ের পর থেকে ক্রমেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বাংলাদেশে। এহেন পরিস্থিতিতে রংপুরে খুন মুক্তিযুদ্ধে লড়াই করা হিন্দু দম্পতি। রিপোর্ট অনুযায়ী, রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে খুন করা হয়েছে। নিহত যোগেশবাবুর বয়স ৭৫ বছর, নিহত সুবর্ণাদেবীর বয়স ৬০ বছর।

রংপুরের মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে খুন করা হয়েছে
রংপুরের মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে খুন করা হয়েছে

রিপোর্টে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে নিজেদের বাড়িতেই খুন হন যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়। পরে সকালবেলা স্থানীয়রা জানতে পারেন খুনের বিষয়। স্থানীয়রা ঢুকে দেখেন, ডাইনিং রুমে পড়ে যোগেশ চন্দ্র রায়ের রক্তাক্ত লাশ এবং রান্নাঘরে সুর্বণা রায়ের মৃতদেহ। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয় তারাগঞ্জ থানার পুলিশকর্মী। যোগেশ চন্দ্র রায় পেশায় শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে চাকরি করেন এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত।

এদিকে গতকাল ৬ ডিসেম্বরের দিনেই ১৯৭১ সালে ভারত স্বীকৃতি দিয়েছিল বাংলাদেশকে। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ এর ৪ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে চিঠি লিখে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই মতো ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত। ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা সফর করেছিলেন। সেই সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পর দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করা হয়, ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করবে দুই দেশ। সেই থেকে দিনটি মৈত্রী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ২০২১ সাল থেকে ঢাকা ও দিল্লি ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ ও ভারতের দূতাবাস যৌথভাবে মৈত্রী দিবস পালন করেছে। তবে ইউনুসের জমানায় সেই সবের বালাই নেই। বিগত কয়েক বছরের মতো এবার ৬ ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সরকার ৬ ডিসেম্বর দিনটি মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করেনি। আর সেই মৈত্রী দিবসের রাতেই বাংলাদেশে নিজের বাড়িতে খুন মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি।