IMF grants $1.2 Billion to Pakistan: উদ্বেগ উত্থাপন সত্ত্বেও পাকিস্তানকে ১.২ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আইএমএফ
ইসলামাবাদকে ১.২ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ঋণের কিস্তি দিতে চলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। এর আগে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানকে ঋণের অনুমোদন দিয়েছিল আইএমএফ।
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং সংস্কারের অভাব নিয়ে উদ্বেগ সত্ত্বেও ইসলামাবাদকে ১.২ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ঋণের কিস্তি দিতে চলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এই পরিমাণটি পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং সেই দেশে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তা সহায়তা করবে। তবে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, সংস্কার ছাড়া এই পদক্ষেপটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আইএমএফ সোমবার পাকিস্তানকে ১.২ বিলিয়ন ডলারের তৃতীয় কিস্তির ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই সর্বশেষ কিস্তির আবহে এখনও পর্যন্ত ইসলামাবাদকে মোট ৩.৩ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে আইএমএফ। আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্ক এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাম্প্রতিক ধাক্কা সত্ত্বেও দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান সরকার।
এর আগে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানকে ঋণের অনুমোদন দিয়েছিল আইএমএফ। আর এবার অপারেশন সিঁদুর ২.০-র গুঞ্জনের মাঝে ঋণের অনুমোদন দিল আইএমএফ। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানকে ১২০ কোটি ডলার ঋণ দিতে গত ৮ ডিসেম্বর বৈঠকে বসেছিল আইএমএফ-এর এক্সিকিউটিভ কমিটি। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই অপারেশন সিঁদুর ২.০-র গুঞ্জন শুরু হয়েছে ফের। তা নিয়ে ইসলামাবাদেরও হৃদকম্পন বেড়ে গিয়েছিল। এরই মাঝে ফের আইএমএফ বেলআউট প্যাকাজের কিস্তির অনুমোদন দিল পাকিস্তানের জন্য।
প্রসঙ্গত, আইএমএফের এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি প্রকল্পের আওতায় সাত বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পাওয়ার কথা পাকিস্তানের। সেই প্রকল্পেরই প্রথম দফার টাকা পাকিস্তানকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএমএফ। এছাড়া রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফান্ড প্রকল্পের অধীনে ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার কথা পাকিস্তানের। তার মধ্যে ২০০ মিলিয়ন ডলারের কিস্তি দেওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বৈঠকে।
এদিকে ভারত অভিযোগ করে আসছে, আইএমএফ-এর অর্থ কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয় পাকিস্তান। এই আবহে পাকিস্তানকে আইএমএফ-এর দেওয়া ঋণের বিরোধিতা করে আসছে ভারত। এর আগে অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে যখন আইএমএফ ঋণ দেয়, সেই সংক্রান্ত ভোটাভুটি থেকে বিরত থেকেছিল ভারত। সেই সময় পাকিস্তানকে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ দিয়েছিল আইএমএফ। পাকিস্তানকে দেওয়া বেলআউট প্যাকেজের বিষয়টি আইএমএফ যাতে পুনর্বিবেচনা করে, তার দাবি জানিয়েছিল ভারত।












