J&K থেকে পাকিস্তান, PoKতে যাওয়া ৩০০রও বেশি জন স্ক্যানারে! রফিক নাই, জামাল লোনের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে পুলিশ
কী ঘটছে জম্মু ও কাশ্মীরের বুকে?
রিপোর্ট বলছে, নব্বইয়ের দশকেও বিশেষ প্যাঁয়তারায় পাকিস্তানের সীমান্ত থেকে কাজ দেওয়ার লোভ দেখানো হত জম্মু ও কাশ্মীরের পাকিস্তানি সীমান্তবর্তী এলাকা রজৌরি ও পুঞ্চের যুবকদের। সীমান্তের ওপারে নানান কায়দায় চাকরির ঘোষণা চলত, আর তা শুনে, চাকরির লোভে সীমান্ত পার করে পাকিস্তানে যেত ভূস্বূর্গের বহু ভূমিপুত্র। এরপর তারা বুঝতে পারত, চাকরির লোভ দেখিয়ে কীভাবে তাদের আইএসআই (পাক গুপ্তচর সংস্থা) নিজের কাজে ব্যবহার করছে। এমনই দাবি উঠে এসেছে এনডিটিভির রিপোর্টে। এবার ফের একবার পাকিস্তান তার সন্ত্রাসী কারবারের জাল বিছানোর চেষ্টায় জম্মু ও কাশ্মীরের যুবকদের জন্য ফাঁদ বাড়িয়ে যাচ্ছে!

জানা যাচ্ছে, ভূস্বর্গে ক্রমেই মাথাচারা দিচ্ছে মাদক সন্ত্রাস। কিছুদিন আগেই পুঞ্চে একটি পাকিস্তানি ড্রোন ঞোকে। সেটি বিস্ফোরক ও মাদক ফেলে ফের পাকিস্তানের দিকে চলে যায়। এরপরই এলাকা জুড়ে চলে তল্লাশি। এদিকে, মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানে ও পিওকেতে (পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর) যাওয়া ৩০০র ও বেশি জন সন্দেহের তালিকায় রয়েছে। তারা রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর স্ক্যানারে। রিপোর্ট বলছে, পুঞ্চ ও রজৌরি এলাকা ঘিরে মাদক সন্ত্রাসের হাত ধরে এরা সীমান্ত পার করেছে। সীমান্তের ওপার থেকে এরাই জঙ্গিদের গাইড হয়ে যায় কাশ্মীর ঘিরে, আবার উগ্রপন্থার দিকে যুবকদের ঝোঁক বাড়াতেও এরাই হোথা!
গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, পুঞ্চ ও রজৌরি থেকে স্থানীয় যুবকদের নিয়োগ করতে বেশ মুখিয়ে রয়েছে পাকিস্তানের সন্ত্রাসী শিবিরগুলি। সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে জঙ্গি শিবিরগুলি জম্মু ও কাশ্মীরের এই সমস্ত সীমান্ত লাগোয়া এলাকার যুবকদের আকর্ষণ করছে। পুঞ্চের সুরানকোট, মেন্ধার, সৌজিয়ান সহ বহু এলাকার যুবকরা সন্ত্রাসী শিবিরগুলির নজরে রয়েছে।
এরই মাঝে নাম আসছে রপফিক নাইয়ের। যাকে ঘিরে স্থানীয় পুলিশ অ্যাকশনে নেমেছে। পুঞ্চের গুরসাই এলাকার ভূমিপুত্র রফিক নাই বর্তমানে পাকিস্তানের জঙ্গি শিবিরের হ্যান্ডেলার। পুঞ্চ পুলিশ তার সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে। যে সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে তার কৃষি জমিও। মাদক, অস্ত্র পাচার, জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ সহ একগুচ্ছ অপরাধের অভিযোগ রয়েছে রফিকের বিরুদ্ধে। পুঞ্চে সন্ত্রাস নেটওয়ার্ক সক্রিয় করতেও রফিকের যোগ রয়েছে।এরপরই উঠছে জামাল লোনের নাম। সেও পুঞ্চের বাসিন্দা ছিল এককালে। পুঞ্চের মান্ডি এলাকার ভূমিপুত্র। তারও জমি , সম্পত্তি, কোর্টের নির্দেশে অ্যাটাচ করা হয়েছে। এই জামালও পাকিস্তানি সন্ত্রাসী শিবিরের হ্যান্ডেলার। আপাতত স্থানীয় পুলিশ সূত্রের খবর, এই সমস্তদের বিরুদ্ধে পুলিশি অ্যাকশন চলবে।পুলিশ সূত্র বলছে, এবার ভূস্বর্গে এমন আরও অনেকের সম্পত্তি অ্যাটাচের ঘটনা ঘটতে পারে।












