India on Iran: ইরান নিয়ে উদ্বেগ পশ্চিমি বিশ্বে, UNHRC-তে ইসলামি শাসকের পক্ষে না বিপক্ষে ভোট ভারতের

চলমান ইরানি প্রতিবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি রেজোলিউশন পেশ করা হয়েছিল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে। মূলত পশ্চিমি দেশগুলি সেই প্রস্তাবনা পেশ করে। আর সেই প্রস্তাবনা নিয় ভোটাভুটি হলে পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতও 'না' ভোট করে।

Published on: Jan 24, 2026 1:10 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরানে প্রতিবাদ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভোটাভুটিতে ইসলামি শাসকদের পক্ষে ভোট দিল ভারত। উল্লেখ্য, চলমান ইরানি প্রতিবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি রেজোলিউশন পেশ করা হয়েছিল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে। মূলত পশ্চিমি দেশগুলি সেই প্রস্তাবনা পেশ করে। আর সেই প্রস্তাবনা নিয় ভোটাভুটি হলে পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতও 'না' ভোট করে।

চলমান ইরানি প্রতিবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি রেজোলিউশন পেশ করা হয়েছিল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে। (via REUTERS)
চলমান ইরানি প্রতিবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি রেজোলিউশন পেশ করা হয়েছিল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে। (via REUTERS)

ইরানের প্রতিবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হ্যা ভোট করে ব্রিটেন, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স, কলম্বিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র সহ মোট ২৫টি দেশ। এদিকে না ভোট করে চিন, কিউবা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান। মোট ৭টি দেশ না ভোট করে। এদিকে ভোটদান থেকে বিরত থাকে কুয়েত, মিশর, ব্রাজিল, কাতারের মতো ১৪টি দেশ।

এর আগে সম্প্রতি দাভোসে ট্রাম্প বলেন, ইরানের দিকে একটি বড় বাহিনী অগ্রসর হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস ধরে ইরানে নাগরিক বিক্ষোভ জারি রয়েছে। ইসলামি শাসদের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে লাখ লাখ মানুষ। ইরানি মোল্লাহদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাহিনীর হাতে কয়েক হাজার মানুষ খুন হয়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। এই আবহে আন্দোলনকারীদের এর আগেও 'সাহায্যের' বার্তা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি ইরানের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি দখলের জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন বিক্ষোভকারীদের। এমনকী সামরিক পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত তেমন কিছু অবশ্য ট্রাম্প করেননি। বরং উলটে পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়েছেন তিনি। তবে এবার তিনি দাবি করলেন, ইরানের দিকে নাকি বড় বাহিনী যাচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, 'আমাদের একটি বড় বহর ইরানের দিকে যাচ্ছে এবং আমরা দেখব কী হয়। আমি চাই না কিছু (খারাপ) ঘটুক, তবে আমরা তাদের খুব নিবিড়ভাবে নজর রাখছি।' সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যার জন্য ট্রাম্প বারবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে এসেছেন। তবে সেই বিক্ষোভ কিছুটা কমেছে। এরই সঙ্গে ইরানি বাহিনীর নৃশংসতাও কমেছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার সুর কিছুটা নরম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএনএ) বলেছে যে বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মৃত্যু নিশ্চিত করা গিয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা শত শত নিরাপত্তা কর্মীসহ পাঁচ হাজারেরও বেশি লোকের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন।