India Vs Bangladesh in Garments Sector: বাংলাদেশের মাথায় বাড়ি? পোশাক শিল্পে ভারতের পণ্যের ওপরও ০% শুল্ক আমেরিকার

এর আগে আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি হয় পোশাক শিল্প নিয়ে। সেই চুক্তির আওতায় নতুন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়, যার আওতায় বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পোশাকের আমদানি শুল্ক শূন্য রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের পোশাকের ওপরও এবার যদি কোনও শুল্ক ধার্য না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশি পণ্যকে টেক্কা দিতে পারবে ভারতীয়রা।

Published on: Feb 13, 2026 12:32 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সাম্প্রতিক এক চুক্তিতে মাথায় হাত পড়েছিল ভারতীয় পোশাক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের। তবে ভারতীয় পোশাক শিল্পের জন্য এবার সুখবর শোনালেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। এর আগে বাংলাদেশ জানিয়েছিল, তাঁদের দেশ থেকে রফতানি হওয়া পোশাকের ওপর শূন্য হারে শুল্ক ধার্য করবে আমেরিকা। এবার পীযূষ জানালেন, বাংলাদেশের মতো ভারতের পোশাকের ওপর শূন্য হারে শুল্ক ধার্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই ক্ষেত্রে আমেরিকার থেকে তুলো আমদানি করতে হবে ভারতকে। এই বিষয়টি মার্কিন ফ্য়াক্টশিট বা যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা নেই।

Workers sew trousers in a garments manufacturing unit in the outskirts of Ahmedabad, India, January 29, 2026. REUTERS/Amit Dave (REUTERS)
Workers sew trousers in a garments manufacturing unit in the outskirts of Ahmedabad, India, January 29, 2026. REUTERS/Amit Dave (REUTERS)

এর আগে আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি হয় পোশাক শিল্প নিয়ে। বাংলাদেশ-মার্কিন চুক্তির আওতায় নতুন ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যার আওতায় বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পোশাকের আমদানি শুল্ক শূন্য রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের পোশাকের ওপরও এবার যদি কোনও শুল্ক ধার্য না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশি পণ্যকে টেক্কা দিতে পারবে ভারতীয়রা।

বাংলাদেশ-মার্কিন চুক্তির খসড়ায় বলা হয়েছিল, দু'পক্ষের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তিতে বস্ত্র খাতে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ যত পরিমাণ তুলো আমদানি করবে, সেই একই মূল্যের বস্ত্র তারা যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কে রফতানি করতে পারবে। এর ফলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও রফতানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সস্তা দামে তাদের পোশাক বিক্রি করতে পারবেন। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জন্য মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে পীযূষ গোয়েলের নয়া ঘোষণায় স্বস্তি ফিরবে ভারতীয় পোশাক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের মনে।

বর্তমানে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক ৯-১০ বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইল রফতানি করে, তবে আমদানিতে ছাড়ের পরে রফতানি দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে, ভারতের মোট বার্ষিক টেক্সটাইল রফতানি ৩৬-৩৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা হয়েছে গত অর্থবর্ষে। এই আবহে বাংলাদেশের মতো ভারতও রফতানিভিত্তিক ছাড় পেলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতিযোগিতা কড়া হতে চলেছে।