India-Bangladesh Relation Update: ‘স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে ভারতে আসুন’, তারেককে বললেন মোদী, ইতিবাচক সাড়া বাংলাদেশ থেকে

ভারতে আসার জন্য বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন তারেক। তারপরই তাঁকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

Published on: Feb 17, 2026 8:21 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যিনি পূর্ব-নির্ধারিত সূচি সত্ত্বেও তারেকের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি। তবে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে হাজির ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনিই বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। আর তাঁর হাতে তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর চিঠি। সেখানে সময়মতো তারেক, তাঁর তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান মোদী। তিনি বলেন, ‘ভারতে আপনার জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।’

তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার। (ছবি সৌজন্যে এক্স @ombirlakota)
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার। (ছবি সৌজন্যে এক্স @ombirlakota)

বাংলাদেশ থেকে আসছে ইতিবাচক বার্তা

আর সূত্রের খবর, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন তারেক। আসবেন ভারতে। সরকারিভাবে সে বিষয়ে আপাতত কিছু বলা না হলেও বিএনপি সূত্রে খবর, 'ভারত সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদী যে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন আমরা বিএনপি প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীকে, সেটা আমরা গ্রহণ করব।'

ইউনুসের আমলে উগ্রপন্থীদের দাপট বেড়েছিল বাংলাদেশে

এমনিতে তারেকের সঙ্গে প্রথম থেকেই ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিচ্ছে ভারত। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশে উগ্রপন্থীদের দাপট বেড়েছিল। নিজেদের রাজনৈতিক কেরিয়ার তৈরি করতে এবং জনপ্রিয় হওয়ার জন্য ভারতকে নিয়ে অহেতুক উল্টোপাল্টা মন্তব্য করতেন। তার জেরে ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকে গিয়েছিল।

তারেকের আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নতি?

সেই উগ্রপন্থীরা চলে যাওয়ার পর তারেক ক্ষমতায় আসায় ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অনেকটাই উন্নতি হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ওই মহলের মতে, ভারত আশা করবে যে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তারেক সরকার। একবিংশ গোড়ার দিকে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে যেরকম হয়েছিল, সেরকম হবে না। বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতির কথা মাথায় রেখে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলবে তারেক সরকার।

তারইমধ্যে তারেকের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে ভারতের লোকসভার স্পিকার বলেছেন, 'বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি গঠনমূলক বৈঠক করলাম। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পক্ষ থেকে একটি ব্যক্তিগত চিঠি হস্তান্তর করেছি, যেখানে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে তাঁর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাঁর সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরে আসার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছি এবং আমাদের এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে স্থায়ী অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।'