Indian Army Chief on Op Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের সময় স্থলপথে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত ছিল ভারত, বললেন সেনাপ্রধান
জেনারেল দ্বিবেদী বিস্তারিত কিছু না জানালেও তিনি বলেন, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পরিস্থিতি 'সংবেদনশীল হলেও শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণে' রয়েছে। অপারেশন সিঁদুর 'এখনও চলছে' বলে জানান তিনি।
অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্থলপথে আক্রমণের জন্য তৈরি ছিল ভারতীয় সেনা। এমনই দাবি করলেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত আরও বাড়লে ভারতীয় সেনা প্রস্তুত ছিল। উল্লেখ্য, কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বেশ কয়েকটি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। আর এর কয়েকদিন পরই সেনাপ্রধানের এই মন্তব্য করলেন।

জেনারেল দ্বিবেদী বিস্তারিত কিছু না জানালেও তিনি বলেন, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পরিস্থিতি 'সংবেদনশীল হলেও শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণে' রয়েছে। অপারেশন সিঁদুর 'এখনও চলছে' বলে জানান তিনি। সেনাপ্রধান বলেন, 'যেহেতু অপারেশন সিঁদুর এখনও চলছে, তাই আমরা পুরোপুরি সতর্ক আছি। আমরা ইতিমধ্যে আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি।' পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সক্রিয় সন্ত্রাসী শিবির সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন, 'আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তার ভিত্তিতে প্রায় আটটি ক্যাম্প এখনও সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুটি আন্তর্জাতিক সীমান্তের বিপরীতে এবং ছয়টি নিয়ন্ত্রণ রেখার বিপরীতে অবস্থিত।' তিনি আরও বলেন, 'যদি এ ধরনের কোনও কর্মকাণ্ড আবার ঘটে তবে আমরা যা পদক্ষেপ নিতে চাই তা অবশ্যই করব।'
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।
E-Paper











