Indian Army's Control in Chicken's Neck: সত্যি কি বাংলাদেশের একাংশ দখল করেছে ভারত? চাঞ্চল্যকর দাবির মাঝে আপডেট দিল সেনা
অসমের ধুবড়ি এবং বিহারের কিষানগঞ্জ- এই তিনটি জায়গায় নতুন ব্যাটেলিয়ান অফিস বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এক একটি ঘাঁটিতে ৮০০ থেকে ৯০০ জন জওয়ান থাকবেন।
সাম্প্রতিককালে বহু ইউটিউবার দাবি করেছেন, বাংলাদেশের ৬০ কিমি এলাকা নাকি ভারত দখল করেছে। যে রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে এই দাবি করা হচ্ছে, সেটি প্রকাশিত হয় গ্লোবাল গভারনেন্স নামক একটি ওয়েবসাইটে। হেডলাইন - India Reportedly Expands Control by 60 km into “Chicken’s Neck” Corridor... অর্থাৎ, চিকেন নেক অঞ্চলে ভারতীয় সেনা নিজেদের নিয়ন্ত্রণের পরিসর বৃদ্ধি করেছে। চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডোর আমাদের দেশের অংশ। সেখানে সেনা কোনও এলাকা দখল করেনি। এবং বাংলাদেশের কোনও এলাকাও দখল করেনি সেনা। এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে একটি ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ছে ক্রমে। অবশ্য এই সবের মাঝে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, অসমের ধুবড়ি এবং বিহারের কিষানগঞ্জ- এই তিনটি জায়গায় নতুন ব্যাটেলিয়ান অফিস বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এক একটি ঘাঁটিতে ৮০০ থেকে ৯০০ জন জওয়ান থাকবেন। উল্লেখ্য, চিকেন নেক করিডর থেকে ধুবড়ির দূরত্ব ২২২ – ২৪০ কিলোমিটার, চোপড়ার দূরত্ব ৫২ কিলোমিটার, কিষাণগঞ্জের দূরত্ব ১৫২-১৮০ কিলোমিটার।

আগামী কয়েক মাসে ভারতের সামরিক অনুশীলন চলার কথা উত্তরপূর্ব জুড়ে। এই আবহে সেনা এই অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণের পরিসর বৃদ্ধি করে থাকতে পারে। তবে বিভিন্ন ইউটিউবারের দাবি মত, বাংলাদেশের লালমনিরহাট দখল করেনি ভারতীয় সেনা। কিন্তু বাংলাদেশ যদি কিছু করে, তার জন্য সেনা প্রস্তুত থাকবে নিশ্চয়। বিগত কয়েকদিন ধরে এই নিয়ে বিস্তর চর্চা, দাবি, পালটা দাবি সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইউটিউবে। এরই মাঝে উত্তরপূর্ব ভারত জুড়ে নোটাম জারি করা হল বায়ুসেনা অনুশীলনের জন্য। নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে ৬টি বিভিন্ন তারিখের জন্য।
এদিকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্থান, গুজরাট এবং আরব সাগরে একটি বড় মাপের সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে ভারত। সেখানে সেনাবাহিনী, বায়ুসেনা এবং নৌবাহিনী অংশগ্রহণ করছে একযোগে। এই মহড়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নোটাম (নোটিশ টু এয়ারমেন) জারি করা হয়েছে। যে এলাকায় এই সামরিক মহড়া চলবে, তার ওপর দিয়ে বিমান চলাচলের জন্য সতর্কতা হিসেবে এই নোটাম জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বছরের মে মাসে পাকিস্তান এবং অধিকৃত কাশ্মীর অঞ্চলে সন্ত্রাসী পরিকাঠামো লক্ষ্য করে অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল ভারত। এরপর থেকেই সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেছে ভারত। সরকার এবং সেনার বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত অপরেশন সিঁদুর শেষ হয়নি। এটি কেবলমাত্র স্থগিত করা হয়েছে। এই আবহে পাক সীমান্ত ঘেঁষে তিন বাহিনীর এই যুদ্ধ অনুশীলন পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে। এরই মাঝে বিগত কয়েকদিন ধরেই ভারতীয় সেনা প্রধান থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সবারই বক্তব্যে অপারেশন ২.০-র একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।












