India's Russian oil Import Details: রুশ তেল আমদানি কমেছে দেশে, তালিকায় ভারতকে পিছনে ফেলল এক ন্যাটো দেশ!

সিআরইএ-র মতে, ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে ভারতের মোট হাইড্রোকার্বন আমদানির পরিমাণ ছিল ২.৩ বিলিয়ন ইউরো। আগের মাসে যা ছিল ৩.৩ বিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ একমাসের ব্যবধানে তা ১ বিলিয়ন ইউরো কমে যায়।

Published on: Jan 14, 2026 7:34 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ কমিয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং পাবলিক সেক্টর রিফাইনারিগুলি। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারত তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ইউরোপিয়ান গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ) মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সিআরইএ-র মতে, ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে ভারতের মোট হাইড্রোকার্বন আমদানির পরিমাণ ছিল ২.৩ বিলিয়ন ইউরো। আগের মাসে যা ছিল ৩.৩ বিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ একমাসের ব্যবধানে তা ১ বিলিয়ন ইউরো কমে যায়।

ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে ভারতের মোট হাইড্রোকার্বন আমদানির পরিমাণ ছিল ২.৩ বিলিয়ন ইউরো। (REUTERS)
ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে ভারতের মোট হাইড্রোকার্বন আমদানির পরিমাণ ছিল ২.৩ বিলিয়ন ইউরো। (REUTERS)

এদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তুরস্ক। উল্লেখ্য, তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য। তবে এখন তারা রাশিয়ার তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক। গত ডিসেম্বরে রাশিয়ার কাছ থেকে ২.৬ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের হাইড্রোকার্বন কিনেছিল তারা। এই তালিকায় অবশ্য শীর্ষস্থানে আছে চিন।

সিআরইএ জানিয়েছে, একমাসের ব্যবধানে ভারত রাশিয়া থেকে ২৯ শতাংশ কম অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই তেল আমদানি কমে যাওয়ার মূল কারণ হল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জামনগর রিফাইনারি। ডিসেম্বরে রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি অর্ধেক করে দিয়েছে তারা। পাবলিক সেক্টর রিফাইনারিগুলিও ডিসেম্বরে রাশিয়ান আমদানি ১৫ শতাংশ কম করেছে।

এদিকে ক্রিসিল রেটিংস মঙ্গলবার বলেছে যে ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক ঘটনাবলী অদূর ভবিষ্যতে অপরিশোধিত তেলের দামের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না। কারণ, বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে ল্যাটিন আমেরিকার দেশটির অবদান তুলনামূলকভাবে কম। বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ভেনেজুয়েলার অংশ মাত্র ১.৫ শতাংশ। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সাম্প্রতিক দিনগুলিতে অনেকাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যারেল প্রতি ৬০ মার্কিন ডলার দরে তা বিকোচ্ছে বিশ্ববাজারে। ভারতের প্রেক্ষাপটে, ভেনেজুয়েলা থেকে ০.২৫ শতাংশের কম তেল আমদানি করা হত।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতকে সম্প্রতি তোপ দাগেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সঙ্গে ফের শুল্ক বৃদ্ধির হুমকিও দেন ট্রাম্প। এর পাশাপাশি সম্প্রতি ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, জামনগরের শোধনাগারের দিকে নাকি রাশিয়ার তেল ভর্তি তিনটি জাহাজ যাচ্ছে। তবে সেই দাবি খারিজ করে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ দাবি করে, তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যেই এই ভুল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ একটি বিবৃতি জারি করে দাবি করেছে, বিগত সপ্তাহগুলিতে তাদের জামগরের শোধনাগারে রাশিয়ার কোনও তেল আসেনি এবং আগামী কয়েক সপ্তাহেও রাশিয়ার থেকে কোনও তেল আসার কথা নেই। এদিকে রিলায়েন্স রাশিয়ার তেল না কেনায় জানুয়ারিতেও ভারতের রুশ তেল কেনার পরিমাণ কমতে পারে। তবে এখনও ভারত রাশিয়ার তেল কিনে চলেছে।