IPAC Case in Supreme Court: 'নথি নিয়ে গেছেন CM', বলল ED, মমতার স্নেহধন্য পুলিশদের সাসপেন্ড করার দাবি SC-তে

সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ আনল ইডি। এদিকে এরই সঙ্গে ডিজিপি রাজীব কুমারকে সাসপেন্ড করার জন্যও আবেদন করেন ইডির আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

Published on: Jan 15, 2026 1:37 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ আনল ইডি। এদিকে এরই সঙ্গে ডিজিপি রাজীব কুমারকে সাসপেন্ড করার জন্যও আবেদন করেন ইডির আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। এরই সঙ্গে হাইকোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানিতে হওয়া গন্ডগোলের বিষয়টিও আজ উল্লেখ করা হয় শীর্ষ আদালতে। বলা হয়, 'রাজ্যের আইনমন্ত্রী কোর্টের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গিয়ে গন্ডগোল করেছেন। যার জেরে শুনানি সম্ভব হয়নি। আদালতে যন্তরমন্তরের মতো অবস্থা করা হয়েছিল।'

আইপ্যাক মামলায় ডিজিপি রাজীব কুমারকে সাসপেন্ড করার জন্যও আবেদন করেন ইডির আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। (Hindustan Times)
আইপ্যাক মামলায় ডিজিপি রাজীব কুমারকে সাসপেন্ড করার জন্যও আবেদন করেন ইডির আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। (Hindustan Times)

এদিকে ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে আজ জানানো হয়। সঙ্গে অভিযোগ করা হয়, ইডি হানার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দেওয়া হয়েছে। ইডির আইনজীবী বলেন, 'রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশের তরফে ইডির বিরুদ্ধে তিনটি এফআইআর করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যে ইডি বেআইনি কাজ করেছে, মানুষকে ভয় দেখিয়েছে ইত্যাদি। এই এফআইআরগুলির ভিত্তিতেই না কি ইডি অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।'

আইপ্যাক দফতর এবং সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানার বিষয়ে ইডি বলে, 'অবৈধ কয়লা পাচার মামলার তদন্তে আইপ্যাকে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল। তদন্তে দেখা গিয়েছে, একটি হাওয়ালা চ্যানেল মারফত প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।' এদিকে তৃণমূলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইডি বলে, 'ওরা বলছে আমরা না কি সেখানে গিয়েছিলাম এসআইআর-এর তথ্য সংগ্রহ করতে। তবে এসআইআর-এর তথ্য তো ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়। সেটা আনতে সেখানে যাওয়ার কোনও মানে নেই। এমন কাজ কোনও বোকা লোকও করবে না।'

এদিকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সওয়াল করে সলিসিটর জেনারেল বলেন, 'সেখানে এমন কী ছিল যেটা লুকানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী পুরো পুলিশবাহিনী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েছিলেন? মুখ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তা মানেননি। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।' এদিকে প্রতিপক্ষ আইনজীবী কপিল সিব্বল দাবি করেন, 'তল্লাশির সময় কোনও বাধা তৈরি করা হয়নি।' আর মুখ্যমন্ত্রী শুধু একটা ল্যাপটপ এবং আইফোন সেখান থেকে নিয়েছিলেন বলে জানান কপিল সিব্বল। এদিকে এই মামলায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে ইডি।