Iran-US Meting: অবশেষে আলোচনার টেবিলে আমেরিকা-ইরান, তার আগে ফের খামেনেইকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ট্রাম্পের কথায়, 'আমি বলব, খামেনেইর উদ্বিগ্ন থাকা উচিত।' ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবারের আলোচনার আগে ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এর আগে আমেরিকা-ইরান বৈঠক বাতিল করা হয়েছিল।

Published on: Feb 05, 2026 10:47 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ওমানে পরমাণু ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনায় বসবে শুক্রবার। এরপরও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই আবহে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, খামেনেইর উদ্বিগ্ন থাকা উচিত। তিনি বলেন, ইরান যদি পরমাণু ইস্যুতে আমেরিকার কথা মানতে রাজি না হয়, তাহলে হামলার ঝুঁকি থাকবেই। এনবিসির সাংবাদিক ট্রাম্পকে খামেনেই নিয়ে প্রশ্ন করলে ট্রাম্প এই কথা বলেন।

শুক্রবারের আলোচনার আগে ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। (REUTERS)
শুক্রবারের আলোচনার আগে ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। (REUTERS)

ট্রাম্পের কথায়, 'আমি বলব, খামেনেইর উদ্বিগ্ন থাকা উচিত।' ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবারের আলোচনার আগে ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এর আগে আমেরিকা-ইরান বৈঠক বাতিল করা হয়েছিল। কারণ, পরমাণু ইস্যু ছাড়া অন্য কোনও কিছু নিয়ে ইরান আলোচনা করতে রাজি ছিল না। তবে গতকাল রাতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনা শুক্রবার ওমানে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর-জানুয়ারি নাগাদ ইরানব্যাপী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে খামেনেইর বাহিনী সহিংস পদক্ষেপ করেছিল। এতে কয়েক হাজারের মৃত্যু হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সেই হিংসা থামাতে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আমেরিকা। এরপর থেকেই আমেরিকার সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। আর তাই আলোচনায় বিক্ষোভ ইস্যুতেও কথা বলতে চেয়েছিল আমেরিকা। তবে তাতে রাজি ছিল না ইরান। তবে সেই বৈঠক হচ্ছে। এরই মাঝে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আলোচনার সাফল্য নিয়ে আমরা সন্দিহান। এর আগে বুধবার বেশ কয়েকজন আরব নেতা ট্রাম্প প্রশাসনকে আলোচনা থেকে পিছু হটতে বারণ করেছিলেন। এই অঞ্চলের মিত্রদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, এই আলোচনায় সম্মত হয়েছে আমেরিকা।'