Irani Foreign Minister Called Jaishankar: আমেরিকা কি হামলা করবে? জল্পনার মাঝেই জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা ইরানি বিদেশমন্ত্রীর

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে কথা হল ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। ইরানের চারপাশের 'পরিস্থিতি' নিয়ে আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী।

Published on: Jan 15, 2026 9:56 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

খামেনেই বিরোধী আন্দোলনের আবহে আমেরিকা ইরানে হামলা চালাতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে দূতাবাসের তরফ থেকে। এই পরিস্থিতিতে ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে কথা হল ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। ইরানের চারপাশের 'পরিস্থিতি' নিয়ে আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী।

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে কথা হল ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের।
১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে কথা হল ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের।

এই ফোনালাপের কিছু আগেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভারতীয়দের ইরানে ভ্রমণ করতে বারণ করা হচ্ছে। এবং সেই নির্দেশিকা জারির পরেই ইরানের বিদেশমন্ত্রীর ফোন করেছিলেন জয়শঙ্করকে। উল্লেখ্য, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচির ভারত সফরে আসার কথা ছিল কয়েকদিন আগেই। তবে ইরানে চলমান বিক্ষোভ এবং আমেরিকার হুমকির আবহে সেই সফর আপাতত বাতিল হয়।

এদিকে সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলির ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে ভারতের ওপর এর প্রভাব পড়বে না বলে দাবি সরকারের। উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে চিনি, চা, ওষুধ, ড্রাই ফ্রুটসের মতো অনেক জিনিসের ব্যবসা করে ভারত। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত-ইরান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১.৬৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ভারত রফতানি করেছে ১.২৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। এদিকে ইরানের চাবাহার বন্দরের টার্মিনাল অপারেট করার দায়িত্ব রয়েছে ভারতের ওপর। এই বন্দর দিয়েই আবার ভারত-রাশিয়ার বাণিজ্য করিডোর রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এদিকে চাবাহার থেকে জাহেদান পর্যন্ত রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ চলছিল। ২০২৬ সালের মধ্যে সেই প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। তবে ইরানের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল থাকলে তা ভারতের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে। চাবাহার বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বিলম্বিত হতে পারে।