Pakistan Blast: ধর্মীয় স্থানে ঢুকতেই আত্মঘাতী বোমারুকে রোখা হয়! এরপর? পাকিস্তানে ব্লাস্টের আগে কী ঘটে? বলছে রিপোর্ট
পাকিস্তানের ইসলামাবাদের বিস্ফোরণের নেপথ্য়ে কি আত্মঘাতী বোমারু? কী বলছে রিপোর্ট?
শুক্রবার এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। ঠিক যখন উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শভকত মিরজিওইয়েভ পাকিস্তানে সফর করছেন, ঠিক সেই সময়ই সেদেশের জাতীয় রাজধানী ইসলামাবাদের বুকে এই বিস্ফোরণ হয়। প্রসঙ্গত, জানা যাচ্ছে, জুম্মান নমাজের সময়ই ইসলামাবাদের তরলাই এলাকায় ধর্মীয়স্থান খাদিজা আল কুবরা-য় এই বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এটি আত্মঘাতী হামলা।

পাকিস্তানের ‘জিও টিভি’র খবর অনুযায়ী, ‘ফিতনা-আল-খোয়ারিজ’ সংগঠনের তরফে এই হামলা ঘটানো হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় কোনও সংগঠন স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান জুড়ে তেহরিক-এ-তলিবানের বিরুদ্ধে একের পর এক অপারেশন চালাচ্ছে সেদেশের সেনা। সেই সংগছনের ২৪ জনকে সদ্য পাকিস্তান সেনা হত্যা করেছে বলে জানা গিয়েছে। এরই মাঝে এই বিস্ফোরণ নিঃসন্দেহে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ঘিরে বড় প্রশ্ন তুলছে। এদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, প্রথমে ওই আত্মঘাতী বোমারুকে ধর্মীয় স্থানের গেটের মুখেই রুখে দেন নিরাপত্তা কর্মীরা। তারপর গুলি চলে। এরপরই ওই বোমারু নিজেকে উড়িয়ে দেন বোমার আঘাতে। ঘটনার জেরে প্রাথমিকভাবে ১০ জনের মৃত্যুর খবর আসলেও সংখ্যাটা ক্রমেই বাড়ছে। মৃতের সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়েছে বলে খবর। আহতের সংখ্যা শতাধিক।
জানা যাচ্ছে, এই ধর্মীয় স্থানের মূল স্থানের থেকে ৩০ মিটার দূরে রয়েছে সদর গেট। সেটি পেরিয়ে যখন বোমারু এগোতে থাকে, তখনই তাকে সেখানে আটকাতে চেষ্টা করে গার্ডরা। তারপরই গুলির লড়াই শুরু হয়। তখনই আত্মঘাতী বোমাটি বিস্ফোরণ করে ওই বোমারু। ততক্ষণে সে ধর্মীয়স্থানের ২০ মিটার ভিতরে ঢুকে আসে। তখন চলছিল ধর্মীয় প্রার্থনা। স্থানীয় পুলিশের দাবি, হামলাকারী ভিনদেশী। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, তার জেরে ভেঙে যায় আশপাশের বাড়ির জানলাও। ঘটনাস্থলেও বেশ কিছুটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে, জানা যাচ্ছে, আহতদের ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এছাড়াও পাকিস্তানের মন্ত্রী তথা পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি থেকে শুরু করে সেদেশের বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। ঘটনার নিন্দা করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি। এছাড়াও পাকিস্তানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, রেজা আমিরি মোঘাদাম এই ঘটনার নিন্দা করেছেন।
E-Paper











