Israel on Pakistan: হামাসের হানিমুন স্পট হয়ে ওঠা পাকিস্তানকে গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না ইজরায়েল

ইজরায়েল জানাল, পাকিস্তানকে গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না তারা। ইজরায়েলের অর্থমন্ত্রী নীর বরখত বলেছেন, 'সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করা কোনও দেশকেই গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না ইজরায়েল। আর পাকিস্তান সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।'

Published on: Jan 24, 2026 12:11 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে সই করেছে পাকিস্তান। সেই সময় দাভোসের সম্মেলনে দর্শকদের আসনে ছিলেন পাক সেনা প্রধান আসিম মুনিরও। এই আবহে মনে করা হচ্ছিল, গাজায় শান্তি রক্ষার্থে বাহিনী পাঠাবে পাকিস্তান। বহুদিন ধরেই এই নিয়ে পাকিস্তান দর কষাকষি চালাচ্ছে বলেও গুঞ্জন শোনা যচ্ছিল। তবে এরই মাধ্যে ইজরায়েল জানাল, পাকিস্তানকে গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না তারা। ইজরায়েলের অর্থমন্ত্রী নীর বরখত বলেছেন, 'সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করা কোনও দেশকেই গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না ইজরায়েল। আর পাকিস্তান সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।'

ইজরায়েল জানাল, পাকিস্তানকে গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না তারা। (AFP)
ইজরায়েল জানাল, পাকিস্তানকে গাজায় সেনা মোতায়েন করতে দেবে না তারা। (AFP)

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে পাকিস্তানে হামাসের যাতায়ত বেড়েছে। গাজার থেকে পাকিস্তানে বেশি নিরাপদ হামাস নেতারা। এহেন পাকিস্তানকে যে ইজরায়েল ভরসা করবে না, তা বলাই বাহুল্য। এদিকে লস্কর-এ-তইবা ও হামাস নেতাদের সাম্প্রতিক বৈঠক নিয়ে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্যালেস্তিনীয় জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস ও পাক মদতপুষ্ট লস্কর ২০২৫ সালেও পহেলগাঁও হামলার আগে বৈঠক করেছিল। আর ফের ২০২৬ সালের শুরুতে এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর নেতারা এক টেবিলে।

সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, হামাসের সিনিয়র কমান্ডার নাজি জাহির পাকিস্তানের গুজরানওয়ালায় পাকিস্তান মারকাজি মুসলিম লিগ (পিএমএমএল) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে লস্কর কমান্ডার রশিদ আলি সান্ধুর সঙ্গে দেখা করেন। এই পিএমএমএলকে লস্করের রাজনৈতিক শাখা বলেই মনে করা হয়। তারা পাকিস্তানি সেনার সাহায্যপ্রাপ্ত, তা বলাই বাহুল্য। এই পরিস্থিতিতে পাক সেনার চোখের আড়ালে এই বৈঠক হয়েছে বলে কেউই বিশ্বাস করে না। এদিকে ইজরায়েলের চক্ষুশূল হামাস। ইজরায়েলের সঙ্গে যেমন আমেরিকার সদ্ভাব রয়েছে, তেমনই আবার মুনিরও ট্রাম্পের আশীর্বাদধন্য। এদিকে ভারতের সঙ্গে আবার ইজরায়েলেরও সম্পর্ক ভালো। পহেলগাঁও হামলার পরে ভারত যখন পাকিস্তানে অভিযান চালিয়েছিল, তখন ইজরায়েল ভারতকেই সমর্থন করেছিল। সব মিলিয়ে ইজরায়েল এবং পাকিস্তানকে এক টেবিলে বসাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে ট্রাম্পকে। ইজরায়েলকে তো আবার পাকিস্তান দেশ হিসেবে স্বীকৃতিও দেয় না। এহেন পাকিস্তানকে তাই স্বভাবতই গাজায় চায় না ইজরায়েল।