Jammu & Kashmir Encounter: প্রজাতন্ত্র দিবসে নাশকতার ছক পাকিস্তানের? জইশ জঙ্গিদের সঙ্গে এনকাউন্টারে জখম ৮ সেনা

সেনাবাহিনীর জম্মুভিত্তিক হোয়াইট নাইট কোর 'অপারেশন ট্রাশি-১' নামের এই অভিযান শুরু করেছিল রবিবার বিকেলে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে জঙ্গি বিরোধী এই যৌথ অভিযান চালানো হয়।

Published on: Jan 19, 2026 8:12 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলার প্রত্যন্ত জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে রবিবার। এই এনকাউন্টারে আট নিরাপত্তা কর্মী জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড গুলি বিনিময় হয়েছে। পরে গভীর রাতের দিকে গুলি বিনিময় বন্ধ হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তাবাহিনী। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গিদের খতম করতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর জম্মুভিত্তিক হোয়াইট নাইট কোর 'অপারেশন ট্রাশি-১' নামের এই অভিযান শুরু করেছিল রবিবার বিকেলে। (ANI video Grab )
সেনাবাহিনীর জম্মুভিত্তিক হোয়াইট নাইট কোর 'অপারেশন ট্রাশি-১' নামের এই অভিযান শুরু করেছিল রবিবার বিকেলে। (ANI video Grab )

সেনাবাহিনীর জম্মুভিত্তিক হোয়াইট নাইট কোর 'অপারেশন ট্রাশি-১' নামের এই অভিযান শুরু করেছিল রবিবার বিকেলে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে জঙ্গি বিরোধী এই যৌথ অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি অভিযানের সময় চতুরুর উত্তর-পূর্বে সোনার এলাকায় জঙ্গিদের মুখোমুখি হয় নিরাপত্তাবাহিনী। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত দু-তিনজন বিদেশি জঙ্গি সেই এলাকায় লুকিয়ে ছিল। তল্লাশি অভিযানের সময় সেই জঙ্গিরা পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময় নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরই সঙ্গে গ্রেনেডও নিক্ষেপ করে তারা। এরপর নিরাপত্তাবাহিনী পাল্টা জবাব দেয় এবং সেনা, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) এবং পুলিশের অতিরিক্ত জওয়ানরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। এই সময় এনকাউন্টারে আট সেনা জওয়ান জখম হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, জওয়ানদের বেশিরভাগই গ্রেনেড বিস্ফোরণে জখম হয়েছেন।

এদিকে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খুঁজে বের করতে ড্রোন ওড়ানো হয় এলাকায়। এছাড়া স্নিফার কুকুর মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। প্রজাতন্ত্র দিবসে জঙ্গিদের যেকোনও হামলার ছক বানচাল করতে সেনা এবং পুলিশ তৎপর। চলতি বছরে জম্মু অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে এটি তৃতীয় সংঘর্ষ। এর আগে, গত ৭ জানুয়ারি কাঠুয়া জেলার বিলওয়ার এলাকার কাহোগ এবং ১৩ জানুয়ারি নাজোট জঙ্গলেও এনকাউন্টার হয়েছিল। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উধমপুর জেলার মজলতা এলাকার সোয়ান গ্রামে জঙ্গিদের সাথে সংঘর্ষে এক পুলিশ কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছিলেন। এদিকে রিপোর্ট অনুাযায়ী, গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, পাকিস্তান ভিত্তিক সন্ত্রাসবাদী মাস্টারমাইন্ডরা ভারতে আরও জঙ্গি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।