Pakistan Terror and Peace Board: পাকিস্তানে চলছে জঙ্গি ‘কারখানা’র শিলান্যাস, পাক যাচ্ছে ‘শান্তি বোর্ড’এ যোগ দিতে!
পাকিস্তান যাচ্ছে, গাজা শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে।
পাকিস্তানের বুকে চলছে লস্কর ই তৈবার নয়া জঙ্গি ক্যাম্প তৈরির প্রক্রিয়া। সেখানে পৌঁছে গিয়েছে কুখ্যাত জঙ্গি নেতা হাফিজ সইদও। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানের মুলতানে এই জঙ্গি তৈরির শিবির যখন তৈরি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে, তখন, পাকিস্তান যাচ্ছে গাজায় ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগ দিতে। ট্রাম্পের তৈরি এই 'শান্তি বোর্ড' থাকার জন্য মার্কিনি ডাকে সাড়া দিয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গাজা ঘিরে পরিকল্পনার একটি অংশ হল, ‘শান্তি বোর্ড’। এর মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক সংঘাত নিষ্পত্তির দিকে যেতে চাইছেন ট্রাম্প। কিছু দেশ এই উদ্যোগের প্রতি সতর্কতার সাথে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে এখন পর্যন্ত ২০টিরও বেশি দেশ এতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে। এদিকে, ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার অন্য অংশ নির্বাহী বোর্ড নিয়ে বেঁকে বসেছে ইজরায়েল। তারা জানিয়েছে, তাদের সঙ্গ কথা না বলেই এই বোর্ড তৈরি হয়েছে, যা ইজরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে। এদিকে, ইসলামাবাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোর অধীনে গাজা পরিকল্পনাকে সমর্থন করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইসলামাবাদের এই পদক্ষেপ। পাকিস্তান আশা করে যে ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে’ এবং সাহায্য বৃদ্ধি এবং গাজার পুনর্গঠনে সহায়তা করা হবে, এমনই বার্তা দিয়েছে ইসলামাবাদ। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এদিকে, শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে যাওয়া পাকিস্তানের নিজের দেশে তৈরি হচ্ছে নাশকতায় অংশ নেওয়া সন্ত্রাসী শিবির লস্কর ই তৈবার নতুন ক্যাম্প। মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদও মুলতানে এই জঙ্গি ‘কারখানা’ তৈরির শিলান্যাসে উপস্থিত ছিল। সেই ছবি ঘুরপাক খাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাইদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত লস্কর-ই-তৈয়বাকে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি দেশ সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনোনীত করেছে। মার্কিন বিদেশ দফতর তাদের রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস প্রোগ্রামের অধীনে সাইদের উপর ১ কোটি ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করেছে। ২০১২ সাল থেকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছে যে সাইদ বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী এবং তাকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য কার্যকর তথ্য অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। সেই হাফিজও খোলাখুলি যে পাকিস্তানের বুকে চলে ফিরে বেড়াচ্ছে, তা প্রমাণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসে ওই ছবিগুলি।
E-Paper











