গৌরব এবং সৌরভ লুথরাকে দিল্লি পাটিয়ালা হাউজ কোর্টে পেশ করা হলে তাদের গোয়ায় নিয়ে যাওয়ার ট্রানজিট রিমান্ডের অনুমতি দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, গত ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোয়ার নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল ২৫ জনের। সেই রাতেই ভাতর ছেড়ে পালিয়েছিল দুই ভাই।
থাইল্যান্ডে আটক করে ভারতের দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়েছিল গোয়া নাইটক্লাবের মালিক লুথরা 'ব্রাদার্স'-কে। গৌরব এবং সৌরভ লুথরাকে দিল্লি পাটিয়ালা হাউজ কোর্টে পেশ করা হলে তাদের গোয়ায় নিয়ে যাওয়ার ট্রানজিট রিমান্ডের অনুমতি দেয় আদালত। এই আবহে গোয়ায় নিয়ে আসার আগে গৌরব এবং সৌরভকে দিল্লি বিমানবন্দরে পুলিশে ঘিরে রেখেছিল। তাদের একজন পরেছিলেন সাদা রঙের হুডি, অপরজন একটি কালো সোয়েটশার্ট এবং মাস্ক। আজ গোয়ায় নিয়ে গিয়ে আদালতে পেশ করা হবে তাদের।
গৌরব এবং সৌরভ লুথরাকে দিল্লি পাটিয়ালা হাউজ কোর্টে পেশ করা হলে তাদের গোয়ায় নিয়ে যাওয়ার ট্রানজিট রিমান্ডের অনুমতি দেয় আদালত।
তথ্য অনুযায়ী, গোয়ায় নাইটক্লাবে আগুন লাগার পরই ‘লুথরা ব্রাদার্স’-রা ইন্ডিগোর বিমানে থাইল্যান্ডের ফুকেট দ্বীপে উড়ে গিয়েছিল। গ্রেফতারি এড়াতে আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করে তারা। পরে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের ব্লু কর্নার নোটিশ জারি করা হয়েছিল। বিদেশ মন্ত্রক জানায়, লুথরা 'ব্রাদার্স'-দের পাসপোর্ট সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। পরে থাইল্যান্ডে আটক হয় দুজনেই। সেখান থেকে তাদের দিল্লি নিয়ে আসা হয়েছিল। আর এবার তাদের গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোয়ার নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল ২৫ জনের। গোয়ার রাজধানী পানাজি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ক্লাবটি। মৃতদের বেশিরভাগই ক্লাবের কর্মচারী ছিলেন। আতঙ্কিত হয়ে বেসমেন্টের দিকে দৌড়ে যাওয়ার সময় বেশিরভাগ মানুষ শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছিলেন। নাইটক্লাবটি গত বছর খোলা হয়েছিল।
আর গত ৬ ডিসেম্বরের রাতে যখন নাইটক্লাবে আগুন লেগেছিল, আগুন নিয়ন্ত্রণ বা অন্যান্য কাজে সহায়তা না করে বিদেশে পালানোর জন্য প্লেনের টিকিট কাটছিল ক্লাবের মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা। সেই সময় বিরোধীরা অভিযোগ করেছিল, লুথরা ভাইদের ভারত থেকে পালাতে সহায়তা করেছিল প্রশাসন। যদিও পরে পুলিশ সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয়।