MEA On Iran Chabahar Port: খামেনির ইরানে ট্রাম্পের রোষ-নজর! চাবাহার পোর্ট নিয়ে কি চাপে ভারত? দিল্লি খুলল মুখ
চাবাহার ইস্যুতে কী বলছে ভারত?
ইরানকে ঘিরে কিছুদিন আগেই একাধিক হুঙ্কার এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সুর চড়া করেছিলেন ট্রাম্প। এদিকে, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। এদিকে, ইরানে চাবাহার বন্দরে বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজ করা নিয়ে ভারতকে নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখেছিল আমেরিকা। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা থেকে ভারতকে বাইরে রাখার সময়সীমার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৬ এপ্রিল, ২০২৬-এ। ইরান-আমেরিকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কি এই নিয়ে চাপে পড়বে ভারত? মুখ খুলল দিল্লি।

বিদেশমন্ত্রক বলছে,'আপনারা জানেন যে, ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর, মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ একটি চিঠি জারি করে যেখানে ২৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত বৈধ শর্তসাপেক্ষ নিষেধাজ্ঞা মুকুবের নির্দেশিকা উল্লেখ করা হয়েছিল।' পরবর্তীতে এই চাবাহার ঘিরে কী হতে চলেছে? তা নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রক বলছে,'এই বিষয়ে আমরা মার্কিন পক্ষের সাথে আলোচনায় রয়েছি।' এর আগে, এক মিডিয়া রিপোর্টে শঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, বর্তমানে আমেরিকা-ইরান সম্পর্কের ক্ষেত্রে, ইরানে ভারতের চাবাহার ইস্যু ধাক্কা খেতে পারে কি? সেই প্রেক্ষাপটেই এদিন দিল্লির তরফে অবস্থান জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি, আমেরিকা জানিয়েছিল যে, যে সমস্ত দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে, তাদের ওপর ২৫ শতাংশ আরও শুল্ক ধার্য করবে ট্রাম্প প্রশাসন। সেক্ষেত্রে ভারতের অঙ্ক ৭৫ শতাংশে দাঁড়াতে পারে! এই অবস্থায় চাবাহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ায় পৌঁছনোর দিক থেকে ইরানের এই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব ভারতের কাছে যথেষ্ট রয়েছে। ইরান থেকে খুব বেশি তেল আমদানি না করলেও, খামেনির নেতৃত্বাধীন ইরানে, এই চাবাহার বন্দর ভারতের কাছে বড় ফ্যাক্টর। এদিকে, খামেনির বিরুদ্ধে রোষ রয়েছে ট্রাম্পের।
উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে চাবাহার বন্দরের উপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে, শহীদ বেহেস্তি টার্মিনাল সহ বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা সম্পর্কে ভারতের জমা দেওয়া বিবরণের ভিত্তিতে, মার্কিন ‘ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল’ অফিস ছয় মাসের জন্য ছাড় দিয়েছে। এই ছাড় ২৯শে অক্টোবর, ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং এই বছরের ২৬শে এপ্রিল পর্যন্ত বৈধ থাকবে। এর পরবর্তীতে চাবাহার ঘিরে কী ঘটতে চলেছে, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা। বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে যে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন, এই সময় ইরানি পক্ষ চাবাহার বন্দর সম্পর্কিত সাম্প্রতিক অতীতের উন্নয়নগুলি তুলে ধরেছে আলোচনায়।
E-Paper











