Mehul Choksi properties auction: ১৯.৭ কোটির পার্কিং স্পেস, কোটি টাকার ফ্ল্যাট, রত্ন - নিলাম হবে চোকসির সম্পত্তি
তেইশ হাজার কোটি টাকার পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে (পিএনবি) কেলেঙ্কারির অভিযুক্ত মেহুল চোকসির ১৩টি সম্পত্তির নিলাম প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইন বিষয়ক আদালত ৪৬ কোটি টাকার কোম্পানির নিলামের অনুমতি দিয়েছে।
তেইশ হাজার কোটি টাকার পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে (পিএনবি) কেলেঙ্কারির অভিযুক্ত মেহুল চোকসির ১৩টি সম্পত্তির নিলাম প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইন বিষয়ক আদালত ৪৬ কোটি টাকার কোম্পানির নিলামের অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বোরিভালির একটি ফ্ল্যাট (দাম ২.৬ কোটি টাকা), বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সে ভারত ডায়মন্ড বোর্স এবং কার পার্কিং স্পেস (দাম ১৯.৭ কোটি টাকা), গোরেগাঁওয়ের ছ'টি কারখানা (১৮.৭ কোটি), রুপোর ইট, মূল্যবান রত্ন এবং কোম্পানির অনেক মেশিন।

আদালত জানিয়েছেন, যদি এই সম্পত্তিগুলি এভাবেই পড়ে থাকে, তাহলে তাদের দাম কমতে থাকবে। তাই অবিলম্বে নিলাম করা প্রয়োজন। লিকুইডেটরের আবার সম্পত্তির ভ্যালুয়েশন করানোর অধিকার রয়েছে। এরপর সম্পত্তি নিলাম করা যাবে। আদালত বলেছে যে লিকুইডেটর প্রাপ্ত অর্থ জমা করার জন্য আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট করতে পারে। উল্লেখ্য, ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইবুনাল (এনসিএলটি) ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি লিকুইডেটরে নিয়োগ করেছিল। এরপর আদালত নীরব মোদী এবং চোকসির সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণের অনুমতি দেয়। বর্তমানে নীরব মোদী ব্রিটেনের জেলে এবং চোকসি বেলজিয়ামের জেলে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই বছরের শুরুর দিকে বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্পে বসবাস করছিলেন। তিনি সেখানকার রেসিডেন্সি কার্ড পেয়েছিলেন। নিজের স্ত্রী প্রীতি চোকসিকে নিয়ে সেখানে ছিলেন মেহুল। পরে বেলজিয়াম সরকার ভারতের কাছ থেকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পেয়ে ৬৬ বছর বয়সি চোকসিকে অ্যান্টওয়ার্প শহর থেকে গ্রেফতার করেছিল গত ১২ এপ্রিল। সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চোকসির প্রত্যর্পণের জন্য প্রথম বেলজিয়ামের কাছে আবেদন জানায় ভারত। এরপর চলতি বছরের গোড়ায় বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে ফের সেই অনুরোধ পাঠায় সিবিআই। আর এখন মেহুল বেলজিয়ান হেফাজতে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ভারত থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন চোকসি। পলাতক চোকসি বেলজিয়াম যাওয়ার আগে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় থাকতেন। এদিকে তাঁর স্ত্রী প্রীতি বেলজিয়ামের নাগরিক। সেই সুবাদে সম্প্রতি মেহুল চোকসি 'এফ রেসিডেন্সি কার্ড' পান বেলজিয়ামের। রিপোর্টে অনুযায়ী, ভারতে প্রত্যর্পণ এড়িয়ে বেলজিয়ামে বসবাসের অনুমতি পেতে বিভ্রান্তিকর নথি ব্যবহার করেছিলেন মেহুল চোকসি। বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের কাছে জাল নথি জমা দিয়েছিলেন এই পলাতক ব্যবসায়ী। তিনি নাকি তাঁর আগের ভারতীয় এবং অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব গোপন করেছিলেন। এদিকে জানা গিয়েছে, ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন মেহুল। এর আগে ২০২১ সালের মে মাসে অ্যান্টিগা থেকে নিখোঁজ হয়ে যান চোকসি, কিন্তু পরে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়।












