Bangladesh Election update: বাংলাদেশে ‘ভোট গণনায় কিছুটা দেরি হতে পারে’!কোন ইঙ্গিত ইউনুসের প্রেস সচিবের কথায়?
বাংলাদেশের ভোটপর্ব ঘিরে কী বললেন ইউনুস সরকারের প্রেস সচিব?
আজ, ২১ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকেই বাংলাদেশের ভোটের জন্য ব্যালট পেপার ছাপা শুরু হতে চলেছে। শেখ হাসিনা-হীন বাংলাদেশে কার্যত বেজে গিয়েছে ভোট রণাঙ্গণের দুন্দুভি। ইতিমধ্যেই এক সমীক্ষা জানান দিয়েছে, সম্ভবত বাংলাদেশের জনমত ঝুঁকতে পারে বিএনপি-র দিকে। আওয়ামী লিগ হিন এই ভোটে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা বিএনপির পাল্লা ভারী। এদিকে, ঢাকায় এদিন প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক সম্পন্ন হয়। তারপরই ভোট নিয়ে মুখ খোলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আসন্ন ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে হবে ভোট। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ হবে। সেদিনই হবে গণনা। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি পার হয়ে গিয়েছে। ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে প্রচার পর্ব। তার আগে এদিন শফিকুল আলম বলেন, বৈঠকে ' এবার ভোট গণনায় কিছুটা দেরি হতে পারে বলে বৈঠকে জানানো হয়। অনেক সময় ভোট গণনা দেরি হলে অনেক গুজব তৈরি হয়। আজকে এই বিষয়ে জানানো হয়। কারণ, এখানে শুধুমাত্র তো নির্বাচন হচ্ছে না, সঙ্গে একটা গণভোট হচ্ছে।' তাঁর সাফ ইঙ্গিত, গণভোট আর নির্বাচন একইসঙ্গে হচ্ছে বলে, ভোটের ফলাফল ঘোষণায় দেরি হতে পারে। তবে প্রশ্ন হল, ঠিক কতটা দেরি হতে পারে?
২০২৪ সালে ৫ অগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এখনও পর্যন্ত কোনও নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের গদিতে নেই। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের পর সেই নির্বাচিত সরকার পাওয়ার কথা বাংলাদেশের। বর্তমানে দেশ শাসন করছেন অন্তর্বর্তী সরকার। যার প্রধান হলেন উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রেস সচিব শফিকুল আলম বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে বলেন,' দুটো ভোট গণনাই একসঙ্গে শুরু হবে। এর সঙ্গে আছে পোস্টাল ব্যালট। এজন্য কিছুক্ষেত্রে ভোট গণনার কিছুটা দেরি হতে পারে।' তাঁর বার্তা,'এই বছর অনেক কিছু নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা চাইছি যে, খুব ভালোভাবে ভোটগণনা হোক, সেক্ষেত্রে কিছু বিলম্ব হতে পারে ভোট গণনায়।' জানানো হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আপাতত ভারত সহ এশিয়ার নজর ইউনুস সরকারের তত্ত্বাবধানে হতে চলা বাংলাদেশের ভোটপর্বে।
E-Paper











