Muhammad Yunus talks with UN Official: হাসিনা বিদায়ের কৃতিত্ব দাবি করা UN আধিকারিকের থেকে 'সাহায্য' চাইলেন ইউনুস

ভলকার টুর্কের সঙ্গে কথা বলে এবার নির্বাচন নিয়ে 'সাহায্য' চাইলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস। নির্বাচনে 'ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য' যাতে না ছড়ানো হয়, তার জন্য রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

Published on: Jan 14, 2026 9:11 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশে হাসিনাকে তাড়াতে এবং ইউনুস সরকারের গঠনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেছিলেন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক। সেই ভলকার টুর্কের সঙ্গে কথা বলে এবার নির্বাচন নিয়ে 'সাহায্য' চাইলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন। সেই নির্বাচনে 'ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য' যাতে না ছড়ানো হয়, তার জন্য রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এই মর্মে ফোনে ভলকার টুর্কের সঙ্গে কথা হয়েছে ইউনুসের।

ভলকার টুর্কের সঙ্গে কথা বলে নির্বাচন নিয়ে 'সাহায্য' চাইলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস।
ভলকার টুর্কের সঙ্গে কথা বলে নির্বাচন নিয়ে 'সাহায্য' চাইলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস।

ইউনুসের অভিযোগ, বাংলাদেশ নিয়ে নাকি বিদেশি মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বাজে, এবং সংখ্যালঘুরা যে সেখানে অত্যাচারিত, সেই সব তথ্যই কি ধামাচাপা দিতে টুর্কের সাহায্য চাইলেন ইউনুস? এদিকে ইউনুসকে আশ্বাস দিয়ে ভলকার টুর্ক নাকি আবার বলেছেন, 'রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বাংলাদেশের পাশে থাকবে। ভুয়ো তথ্য মোকাবিলায় যা করা প্রয়োজন, তা করা হবে।' এদিকে এত করেও বাংলাদেশের নির্বাচনে রাষ্ট্রসংঘ কোনও পর্যবেক্ষক পাঠাবে না বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে এই ভলকার টুর্ক বিবিসির 'হার্ডটক' অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, '২০২৪ সালের জুলাই ও অগস্টে ছাত্রদের ব্যাপক বিক্ষোভ হয় বাংলাদেশে। তখন শেখ হাসিনার সরকার আমলে ছাত্রদের আন্দোলন দমনে ব্যাপক নিপীড়ন চলছিল। আমরা (রাষ্ট্রসংঘ) তখন কী বলি, সেটার দিকেই আশা নিয়ে তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশিরা। তখন আমরা সেনাবাহিনীকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, যদি বাংলাদেশি সেনা এই আন্দোলন দমনে নামে, তাহলে তারা আর রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অংশ থাকতে পারবে না। এরপরই আমরা পরিবর্তন দেখলাম বাংলাদেশে।'

এরপর বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের সময়কাল নিয়ে প্রতিবেদন পেশ প্রসঙ্গে ভলকার বলেছিলেন, 'যখন ইউনুস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিলেন, তখন তিনি আমাকে তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, আমি যাতে সেখানে একটি অনুসন্ধানী দল পাঠাই। বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দিতে অনুরোধ করেছিলেন তিনি। সেখানে যা ঘটেছিল, তার তদন্ত করতে বলেন। আমরা তাই করেছিলাম। আমি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। আমরা বাংলাদেশ নিয়ে একটি অবস্থান গ্রহণ করেছিলাম। আমরা সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলাম। আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা করায় বাংলাদেশি ছাত্ররা আমাদের প্রতি খুব কৃতজ্ঞ ছিল।'