US tourist visa for Indians: বাচ্চার জন্য আমেরিকায় যাচ্ছেন? এই সন্দেহ হলেই টুরিস্ট ভিসা পাবেন না, ব্যাপার কী?
আমেরিকার ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? কিন্তু মামুলি টুরিস্ট ভিসা পেতে গিয়েই এখন মাথার ঘাম পায়ে পড়তে পারে। একটি মহলের বক্তব্য, ভারতীয়দের মধ্যে এরকম ট্রেন্ডের চল নেই। অন্যান্য কয়েকটি এশিয়ান দেশের ক্ষেত্রে এরকম নজির দেখেছেন বলে দাবি করা হয়েছে ওই মহলের তরফে।
আমেরিকার ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? কিন্তু মামুলি টুরিস্ট ভিসা পেতে গিয়েই এখন মাথার ঘাম পায়ে পড়তে পারে। কারণ ওয়াশিংটনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদি আধিকারিকরা মনে করেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্যই আমেরিকায় ঘুরতে যাচ্ছেন, তাহলে টুরিস্ট ভিসার আবেদন খারিজ করে দিতে পারেন। ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন কনস্যুলার অফিসাররা যদি মনে করেন যে ভ্রমণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানের জন্মদান এবং সন্তানের জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করা, তাহলে তাঁরা পর্যটন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন। এটি অনুমোদিত নয়।’
আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা নিয়ে নিয়ম মনে করাল মার্কিন দূতাবাস। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজ্যে সঞ্জীব বর্মা/হিন্দুস্তান টাইমস)
যদিও সেই নিয়মটি নতুন করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে ঘোষণা করা হল না। আগে থেকেই সেই নিয়মটা ছিল। মূলত ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে সেই বিষয়টার উপরে গুরুত্ব দিয়েছে আমেরিকা। আর এখন সেটিই স্মরণ করিয়ে দিল ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। একটি মহলের বক্তব্য, ভারতীয়দের মধ্যে এরকম ট্রেন্ডের চল নেই। অন্যান্য কয়েকটি এশিয়ান দেশের ক্ষেত্রে এরকম নজির দেখেছেন বলে দাবি করা হয়েছে ওই মহলের তরফে।
আর তারইমধ্যে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বার্তালাপের পরে মোদী বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে অত্যন্ত উষ্ণ ও মনোগ্রাহী আলোচনা হয়েছে। আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।’
তাঁরা এমন একটা সময় কথা বলেন, যখন একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে উঠে আসে যে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরের জন্য ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার মূল্যের উন্নত প্রযুক্তি ও সহায়তা পরিষেবা বিক্রিতে অনুমোদন দিয়েছে আমেরিকা। সেই আবহে মোদী-ট্রাম্পের ফোনালাপ নিয়ে বিষয়টির সঙ্গে অবহিত এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দুই রাষ্ট্রনেতা মার্কিন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে দুই নেতা মতবিনিময় করেন।