Pak-Saudi Foreign Minister Talk: UAE প্রেসিডেন্ট ভারতে আসতেই সৌদি-পাক গোপন কথা, কেন চিন্তার ভাঁজ তাদের কপালে?
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ১৯ জানুয়ারি ঝটিকা সফরে ভারতে এসেছিলেন। আর এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহানের সঙ্গে ফোনে গোপন কথা সারলেন পাক বিদেশমন্ত্রী তথা উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ১৯ জানুয়ারি ঝটিকা সফরে ভারতে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মউ স্বাক্ষরিত হয়। আর এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহানের সঙ্গে ফোনে গোপন কথা সারলেন পাক বিদেশমন্ত্রী তথা উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্কে চিড় ধরেছে। এদিকে দুই প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতে পিষছে পাকিস্তান। সব মিলিয়ে সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের কপালে হঠাৎ করেই চিন্তার গভীর ভাঁজ পড়েছে।

পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, খাদ্য সুরক্ষা, বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একে অপরের সঙ্গে চুক্তিতে সই করেছে ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন মোদী। একই গাড়িতে হাসি মুখে উভয় রাষ্ট্রনেতার সফর করার ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। সব মিলিয়ে ইউএই প্রেসিডেন্টের সফর সংক্ষিপ্ত হলেও কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরপরই পাকিস্তানি বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি বিদেশমন্ত্রীর ফোনালাপও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এদিকে ফোনালাপ প্রসঙ্গে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিবৃতি জারি করলেও, সেই ফোনালাপে আলোচ্য বিষয় নিয়ে টু শব্দটি করেনি দুই দেশ। যা ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।
উল্লেখ্য, জানুয়ারির শুরুতেই ইয়েমেনে সাদার্ন ট্রানজিশন কাউন্সিলের ওপর হামলা চালায় সৌদি আরব। এই সাদার্ন ট্রানজিশন কাউন্সিল আবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের মদতপুষ্ট। এই আবহে ইয়েমেনে কার্যত সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদির ছায়াযুদ্ধ শুরু হয়। এই সবের মাঝে বিপাকে পড়তে পারে পাকিস্তান। উল্লেখ্য, সৌদির সঙ্গে সামরিক চুক্তির জেরে পাকিস্তান তাদের দেশে সৈনিক পাঠিয়েছে। এই আবহে ইয়েমেনের সাদার্ন ট্রানজিশন কাউন্সিলের সঙ্গে সংঘাতে পাক সৈনিকদের ব্যবহার করতে পারে সৌদি।
এদিকে সম্প্রতি আবার সংযুক্ত আরব আমিরাত পাকিস্তানের ফৌজি ফাউন্ডেশনের শেয়ারের বদলে টাকা দেওয়রা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসলামাবাদকে। এই আবহে ইয়েমেনের সংঘাতে পাকিস্তানের ওপর যদি সংযুক্ত আরব আমিরাত খাপ্পা হয়, তাহলে পকেট ফুটো হবে মুনিরের। কারণ, এই ফৌজি ফাউন্ডেশন আদতে পাকিস্তানি সেনার পরিচালিত একটি কর্পোরেট সংস্থা। যারা কি না, পাচার থেকে শুরু করে খাবার বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে। এই আবহে পাকিস্তানে ইয়েমেনের খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে 'বিধিনিষেধ' আরোপ করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকারি কোনও নির্দেশিকা না থাকলেও পাক সেনার তরফ থেকে সংবাদমাধ্যমগুলিকে ইয়েমেন সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করতে বারণ করা হয়েছিল। আইএসপিআর নাকি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে এই মর্মে।
E-Paper











