Pakistan Latest News: পাক সুপ্রিম কোর্টে হাজির ইউরোপীয় দেশের রাষ্ট্রদূত! মুখ পুড়ল শেহবাজদের, করল তলব

ইউরোপের দেশ নরওয়ের রাষ্ট্রদূত অ্যালবার্ট ইলসাসও পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। আর সেই ঘটনায় পাকিস্তান সরকার এতটাই ক্ষুব্ধ হয়েছে যে ইলসাসকে তলব করা হয়েছে। মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের রাষ্ট্রদূত।

Published on: Dec 12, 2025 8:58 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইউরোপের দেশ নরওয়ের রাষ্ট্রদূত অ্যালবার্ট ইলসাসও পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। আর সেই ঘটনায় পাকিস্তান সরকার এতটাই ক্ষুব্ধ হয়েছে যে ইলসাসকে তলব করা হয়েছে। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের রাষ্ট্রদূত। সমাজকর্মী ইনান জয়নব মাজারি ও তার স্বামী হাদি আলি চাট্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট নিয়ে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলছে।

শেহবাজ শরিফ। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি)
শেহবাজ শরিফ। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি)

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে ইলসাসকে তলব করা হয়েছে। আর তাতে বলা হয়েছে যে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেছেন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে হাজির হয়ে আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক প্রোটোকল লঙ্ঘন করেছেন। তিনি যা করেছেন, তা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। যে কোনও দেশের রাষ্ট্রদূতকে ভিয়েনা কনভেনশনের নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে আশা করা হয়।

এমনিতে পাকিস্তানে এখন অসংখ্য টানাপোড়েন চলছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছেন শেহবাজ শরিফরা। তারইমধ্যে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইএর প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ফয়েজ হামিদের (যিনি ইমরানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত) বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করেছে আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘন এবং কর্তৃত্ব ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহার-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় আগেই। একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। পাকিস্তানের এক সামরিক আদালত সেদেশের এই প্রাক্তন আইএসআই কর্তাকে ১৪ বছরের কারাবাসের সাজা শুনিয়েছে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) দ্বারা জারি করা একটি বিবৃতি অনুসারে, হামিদের বিরুদ্ধে ফিল্ড জেনারেল কোর্ট মার্শাল (এফজিসিএম) প্রক্রিয়া ১২ আগস্ট, ২০২৪ এ শুরু হয়েছিল। প্রাক্তন ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) প্রধানের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনা আইনের ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং 'প্রথমত, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদকে (অবসরপ্রাপ্ত) রাজনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকা, রাষ্ট্রের সুরক্ষা ও স্বার্থের জন্য ক্ষতিকারক অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট লঙ্ঘন, কর্তৃত্ব ও সরকারী সম্পদের অপব্যবহার এবং কোনও ব্যক্তির অন্যায়ভাবে ক্ষতি করার অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।' পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বলেছে যে আদালত আইএসআইয়ের প্রাক্তন মহাপরিচালক হামিদকে ‘দীর্ঘ এবং পরিশ্রমী’ আইনি প্রক্রিয়ার পরে সমস্ত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং তাঁকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।