Pakistan Army Chief Asim Munir Latest Update: ট্রাম্পের আশীর্বাদধন্য হয়েও আসিম মুনির 'না ঘর কা, না ঘাট কা'
গাজায় পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের বিষয়ে আগ্রহী নয় ইজরায়েল। এদিকে ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসের অংশ হওয়ার জন্য পাকিস্তানের ভিতরেও সমালোচনা মুখে পড়েছেন শেহবাজ-মুনিররা।
ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিস চার্টারে সই করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই বোর্ডে থাকা দেশগুলির সেনা মোতায়েন করতে চাইছেন ট্রাম্প। তবে গাজায় পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের বিষয়ে আগ্রহী নয় ইজরায়েল। এদিকে ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসের অংশ হওয়ার জন্য পাকিস্তানের ভিতরেও সমালোচনা মুখে পড়েছেন শেহবাজ-মুনিররা।

ইজরায়েলের অর্থমন্ত্রী নীর বরখত জানিয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনীকে গাজায় মোতায়েন করতে দেওয়া হবে না। এদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জাইদ হামিদ এতদিন ধরে পাকিস্তানি সেনার হয়ে গলা ফাটিয়ে গিয়েছেন। অযৌক্তিক সব কথা বলেও নিজের দেশের সেনার পক্ষে সওয়াল করেছেন, বড় বড় দাবি করেছেন। অপারেশন সিঁদুরের সময় তো নিজের বাক্যবাণে সোশ্যাল মিডিয়াতেই ভারতকে 'হারিয়ে দিয়েছিলেন' এই জাইদ। এহেন জাইদও বলছেন, 'ইজরায়েলের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে পাকিস্তানি বাহিনী।'
এদিকে বোর্ড অফ পিসের অংশ হওয়া সকল দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা দাভোসে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানেরও প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন সেখানে। তবে পাকিস্তানের তরফ থেকে দাভোসে গিয়েছিলেন সেনা প্রধান আসিম মুনিরও। আর সেখানে তিনি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরেছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁর একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মুনিরের জ্যাকেটের পিছন দিকে উঠে আছে। তা দেখে মনে হচ্ছে, শার্টের ভিতরে কিছু একটা পরে থাকার জন্যে কাঁধের দিকের অংশটা উঠে আছে। অনেকেই তা দেখে দাবি করেন, শার্টের ভিতরে বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরেছেন মুনির।
উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ট্রাম্প একাধিকবার ভারত-পাকের সংঘর্ষবিরতিতে মধ্যস্থতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছেন। তাঁর দাবি, বাণিজ্য আলোচনাকে হাতিয়ার করে ভারত-পাক সংঘাত থামান তিনি। তবে নয়াদিল্লি বারবার এই দাবি অস্বীকার করে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার সংঝোতা দ্বিপক্ষীয়ভাবে হয়েছে। পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) ভারতীয় ডিজিএমও-কে ফোন করে হামলা ব্ধের আর্জি জানিয়েছিলেন। এই আবহে ভারত এবং আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। অন্যদিকে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল পাকিস্তান। তবে ভারত সেই সবে পাত্তা দেয়নি। ট্রাম্প প্রায় সময়ই জপ করার মতো দাবি করে চলেন, তিনি ৭-৮টা যুদ্ধ থামিয়েছেন। এই সবের মাঝেই ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপিয়েছেন ট্রাম্প। মোদীকে একটা সময় ৪ বার ফোন করলেও মোদী কথা বলেননি ট্রাম্পের সঙ্গে। জি৭ সম্মেলনের সময় ফোনে কথোপকথন চলাকালীন ট্রাম্পের সংঘর্ষবিরতি দাবির বিরুদ্ধে সরবও হয়েছিলেন মোদী। তবে ট্রাম্পের দাবি ছিল, তিনি নাকি বাণিজ্যকে হাতিয়ার করে ভারত-পাক যুদ্ধ থামিয়েছিলেন। তবে সেই বাণিজ্য চুক্তি আজও সম্পন্ন হল না ভারত-আমেরিকার সঙ্গে। এদিকে নিজের দেশের রেয়ার আর্থ ট্রাম্পের হাতে তুলে দিয়েছেন মুনির। ট্রাম্পের সঙ্গে একান্তে হোয়াইট হাউজে লাঞ্চ করেছেন মুনির। পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হয়েও হোয়াইট হাউজে গিয়েছেন মুনির। বিগত কয়েকমাসে ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ হয়েছ পাক সেনা প্রধানের। তবে তাঁর নিজের দেশেই মুনিরের গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই তলানিতে গিয়ে ঠেকছে।
E-Paper











