Pakistan Army Officer Winks at Female Journalist: সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলা সাংবাদিককে 'চোখ মারলেন' পাকিস্তানি সেনাকর্তা!

ইমরান খানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে সম্প্রতি বলা হয়েছিল, আসিম মুনির মানসিক ভারসাম্যহীন। এর জবাবেই ইমরান খানকে উলটে 'মানসিক রোগী' আখ্যা দেন সেনা কর্তা।

Published on: Dec 10, 2025 8:08 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলা সাংবাদিককে চোখ মারলেন পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনসের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী। জানা গিয়েছে, যে সাংবাদিককে শরিফ চোখ মেরেছেন, তাঁর নাম আবসা কোমান। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে তিনি একটি প্রশ্ন করেছিলেন শরিফকে। জবাব দেওয়ার সময় শরিফ চোখ মারেন আবসা কোমানকে। সেই ঘটনার ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলা সাংবাদিককে চোখ মারলেন পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনসের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী।
সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলা সাংবাদিককে চোখ মারলেন পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনসের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরীকে আবসা কোমান প্রশ্ন করেছিলেন, 'ইমরান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক, তিনি দেশ বিরোধী, তিনি ভারতের হয়ে কাজ করেন... আগের থেকে পরিস্থিতি এতটুকু বদলায়নি এখনও পর্যন্ত। ভবিষ্যতে কি এই পরিস্থিতিত পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে?' জবাবে শরিফ বলেন, 'আমি আপনার প্রসঙ্গের সঙ্গে চতুর্থ একটি পয়েন্ট যোগ করতে চাই: ইমরান খান মানসিক রোগী।' এরপরই হেসে মহিলা সাংবাদিককে চোখ মারেন এই পাক সেনা কর্তা। এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত শুক্রবার। প্রসঙ্গত, ইমরান খানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে সম্প্রতি বলা হয়েছিল, আসিম মুনির মানসিক ভারসাম্যহীন। এর জবাবেই ইমরান খানকে উলটে 'মানসিক রোগী' আখ্যা দেন সেনা কর্তা।

জানা গিয়েছে, সেই সাংবাদিক সম্মেলনে শরিফ নাকি ইমরান খানের নাম না নিয়েও অভিযোগ করেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা নাকি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তিনি মনে করেন, তিনি নিজে ক্ষমতায় না থাকলে আর কিছুর অস্তিত্ব থাকতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে যাঁরা কারাগারে গিয়ে দেখা করছেন, তাঁদের সাহায্যে সেনার বিরুদ্ধে বিষ ছড়ানো হচ্ছে। এই আবহে আইএসপিআর ডিজি বলেন, 'আমরা কাউকেই পাকিস্তানি সেনা এবং পাকিস্তানি জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে দেব না।' তিনি দাবি করেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে সাংবিধানিক অধিকারেরও একটা পরিধি আছে। এদিকে ২০২৩ সালের ৯ মে পাকিস্তানি সেনার রাওয়ালপিন্ডি সদর দফতরে হামলার জন্য ফের একবার ইমরান খানকেই দায়ী করেন তিনি।