Pak Defence Minister on Netanyahu: নেতানিয়াহুকে অপহরণ করা উচিত আমেরিকার, আজব দাবি পাকিস্তানি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

নেতানিয়াহুকে মানবতার সবচেয়ে বড় অপরাধী হিসেবে বর্ণনা করে আসিফ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা আক্রমণ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করার কয়েকদিন পরই খাজা আসিফ এই বক্তব্য করলেন।

Published on: Jan 10, 2026 8:13 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে অপহরণ করে আদালতে নিয়ে যাক আমেরিকা, এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এমনই আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। পাকিস্তানি নিউজ চ্যানেল জিও টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আসিফ বলেন, তুরস্কও নেতানিয়াহুকে অপহরণ করতে পারে। নেতানিয়াহুকে মানবতার সবচেয়ে বড় অপরাধী হিসেবে বর্ণনা করে আসিফ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা আক্রমণ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করার কয়েকদিন পরই খাজা আসিফ এই বক্তব্য করলেন।

নেতানিয়াহুকে মানবতার সবচেয়ে বড় অপরাধী হিসেবে বর্ণনা করেন আসিফ (REUTERS)
নেতানিয়াহুকে মানবতার সবচেয়ে বড় অপরাধী হিসেবে বর্ণনা করেন আসিফ (REUTERS)

আসিফ বলেন, 'নেতানিয়াহুকে মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাঁকে অপহরণ করে তাদের আদালতে নিয়ে গিয়ে মামলা করা। তুরস্কও নেতানিয়াহুকে অপহরণ করতে পারে এবং আমরা পাকিস্তানিরা তার জন্য প্রার্থনা করছি। গত চার-পাঁচ হাজার বছরে কোনও সম্প্রদায় ফিলিস্তিনিদের সাথে ইজরাইলের মতো আচরণ করেনি। নেতানিয়াহু মানবতার সবচেয়ে বড় অপরাধী। এর চেয়ে বড় অপরাধী পৃথিবী দেখেনি।'

নেতানিয়াহুর সমর্থকদেরও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তবে এই সময়ে উপস্থাপক হামিদ মীর তাঁকে বাধা দিয়ে বিরতি নেন। তিনি বলেন, 'খাজা সাহেব, আমি এখানে বিরতি নিচ্ছি কারণ আপনি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আপনার কথা শুনে অনেকেই ভাববেন আপনি ট্রাম্পের কথা বলছেন। আমি জানি না আপনি কার কথা বলছেন, তবে আমি বিরতি নেব।'

এদিকে আমেরিকার চাপে পড়ে গাজায় শান্তিরক্ষার জন্য সেনা পাঠাতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। এদিকে ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজাক অবশ্য দাবি করেছেন, গাজায় পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের বিরুদ্ধে তারা। তাঁর কথায়, যে সব দেশকে আমরা ভরসা করতে পারি, শুধুমাত্র তাদের সঙ্গেই আমরা কাজ করতে পারি। পাক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে হামাসের যোগের বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য হামাসকে শেষ করতে হবে বলে দাবি করেন রেউভেন।