Pakistan on Jaishankar's Jab on Munir: মুনিরকে নিয়ে জয়শঙ্করের কটাক্ষে তেলে বেগুলে জ্বলে উঠল পাকিস্তান, ইসলামাবাদ বলল…

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর প্রধান মুনিরকে আয়না দেখিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাতে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে এবার প্রতিক্রিয়া দিল পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক…

Published on: Dec 08, 2025 8:36 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিট ২০২৫-এ আরও একবার পাকিস্তানের পর্দা ফাঁস করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেছিলেন, ভারতের বেশিরভাগ সমস্যার মূল কারণ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। পাক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকেও যে মুনিরের বাহিনী সমর্থন করে, তাও বলেছিলেন জয়শঙ্কর। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর প্রধান মুনিরকে আয়না দেখিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, 'যেমন ভালো সন্ত্রাসবাদী এবং খারাপ সন্ত্রাসবাদী রয়েছে, তেমনি কিছু ভালো সামরিক নেতাও রয়েছেন এবং কিছু সামরিক নেত ভালো নাও হতে পারেন।'

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর প্রধান মুনিরকে আয়না দেখিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। (AFP)
পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর প্রধান মুনিরকে আয়না দেখিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। (AFP)

এস জয়শঙ্করের এই মন্তব্যেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান বলেছে যে তাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয় সুরক্ষার শক্তিশালী স্তম্ভ। জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পাক বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেন, 'পাকিস্তান ভারতের বিদেশমন্ত্রীর উস্কানিমূলক, ভিত্তিহীন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যকে তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং নিন্দা করে। পাকিস্তান একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র এবং সশস্ত্র বাহিনী সহ এর সমস্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয় নিরাপত্তার ভিত্তি। মে মাসে সংঘর্ষ যে কোনও আগ্রাসনের জবাব দেওয়ার জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দৃঢ় সংকল্পের পরিচয় দেয়।'

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এরপরই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এরপর ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি পরিকাঠামো লক্ষ্য করে 'অপারেশন সিঁদুর' শুরু করে ভারত। ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে শতাধিক সন্ত্রাসবাদীকে খতম করে ভারত। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জনের জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এই আবহে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল। পাকিস্তান ভারতীয় বিমানঘাঁটিগুলিতে আঘাত হানার চেষ্টা করেছিল। পালটা জবাবে পাকিস্তানের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছিল ভারত। পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দিয়েছিল ভারত। রাওয়ালপিন্ডি, করাচি, লহোরের মতো শহরে আছড়ে পড়েছিল ভারতীয় মিসাইল। এই আবহে পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির জন্য কাতর আর্তি জানিয়েছিল ভারতের কাছে। সেই আর্তি মেনে অপারেশন সিঁদুর স্থগিত করতে সহমত হয়েছিল ভারত।

পরে ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান অমরপ্রীত সিং জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল লড়াইয়ের সময়। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।