Pakistan Navy Missile & Unmanned Vessel Test: ভারতের ভয়ে আরব সাগরে মিসাইল পরীক্ষা পাকিস্তানের, চলল মানবহীন নৌযান

সম্প্রতি উত্তর আরব সাগরে নৌমহড়া চালায় পাকিস্তান। সেখানে মানবহীন নৌযানের পরীক্ষা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে পাকিস্তানি মিডিয়ার তরফ থেকে। এদিকে এলওয়াই-৮০(এন) নামে একটি মিসাইলেরও পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে পাক নৌসেনা।

Published on: Jan 11, 2026 8:21 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিগত বেশ কয়েক মাসে ভারত একের পর এক শক্তিশালী মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে সাগরে। এমনকী সাবমেরিন থেকে লঞ্চ করা হয়েছে ব্যালিস্টিক মিসাইল। এই পরিস্থিতিতে এবার ভীত পাকিস্তানও আরব সাগরে তাদের মিসাইলের পরীক্ষা চালাল। সম্প্রতি উত্তর আরব সাগরে নৌমহড়া চালায় পাকিস্তান। সেখানে মানবহীন নৌযানের পরীক্ষা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে পাকিস্তানি মিডিয়ার তরফ থেকে। এদিকে এলওয়াই-৮০(এন) নামে একটি মিসাইলেরও পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে পাক নৌসেনা। আইএসপিআর বলেছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ মহড়ার সময় সেখানে ছিলেন।

পাকিস্তানের তরফে মানবহীন নৌযানের পরীক্ষা চালানো হয়, এরই সঙ্গে এলওয়াই-৮০(এন) নামে একটি মিসাইলেরও পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে পাক নৌসেনা।
পাকিস্তানের তরফে মানবহীন নৌযানের পরীক্ষা চালানো হয়, এরই সঙ্গে এলওয়াই-৮০(এন) নামে একটি মিসাইলেরও পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে পাক নৌসেনা।

উল্লেখ্য, এই এলওয়াই-৮০ মিসাইলটি হল চিনা এইচকিউ-১৬ মিসাইলের রফতানি সংস্করণ। প্রসঙ্গত, পাকিস্তান ২০১৫ সালে এলওয়াই-৮০ মিসাইল কেনার জন্য চুক্তি করেছিল চিনের সঙ্গে। পরে ২০১৭ সালে এই মিসাইল পাক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। এদিকে পাকিস্তানের তরফ থেকে এলওয়াই-৮০(এন)-এর রেঞ্জের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে জানা যায়, এই মিসাইলের রেঞ্জ শুধুমাত্র ৪০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে এই মিসাইল কাজে লাগানো যেতে পারে।

অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একেপারে ধসে পড়েছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান নতুন করে মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালিয়ে নিজেদের মনোবল বাড়াতে চাইছে। পাকিস্তানের দাবি, এই মিসাইলে সেমি-অ্যাক্টিভ রাডার হোমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তার মাধ্যমে ১৫ মিটার থেকে ১৮,০০০ মিটার উচ্চতার যেকোনও লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করে ধ্বংস করা যায়।

তবে চিনা মিসাইল যে কতটা কার্যকর, তা অপারেশন সিঁদুরের সময়ই টের পেয়েছিল পাকিস্তান। এমনকী চিনা ড্রোন ব্যবহার করে ভারতে হামলা চালানোর চেষ্টা করেও পুরোপুরি বিফল হয়েছিল পাকিস্তান। এই সবের মাঝেই আরব সাগরে ক্রমেই শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। প্রায় প্রতি মাসে একটি করে নয়া রণতরী যু্ত হচ্ছে ভারতীয় নৌসেনায়। এর আগে অপরেশন সিঁদুরের সময় নৌসেনা করাচির ওপর হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল জানা গিয়েছিল পরে। যদিও পাকিস্তানের আর্তিতে ভারত সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হওয়ায় পাকিস্তানের হামালর সুযোগ পায়নি নৌসেনা। যার জন্য নৌসেনা প্রধানের কাছে 'ক্ষমা প্রার্থনা' করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। অবশ্য পরবর্তীতে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত বাঁধলে নৌসেনাকে হামলার সুযোগ দেওয়া হবে বলেও বলেছিলেন তিনি। এই আবহে পাকিস্তানের ভয় বাড়ছে ক্রমেই।

এদিকে পাকিস্তান নৌবাহিনী একটি আনম্যানড সারফেস ভেসেলের সফল পরীক্ষা চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। ওই পরীক্ষায় নৌযানটি উচ্চগতিতে সমুদ্রে বিচরণ করতে সক্ষম হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে পরীক্ষায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌযানটির কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয় বলে জানানো হয়। আইএসপিআরের মতে, এই ইউএসভিতে উচ্চমাত্রার ম্যানুভারেবিলিটি, নিখুঁত নেভিগেশন এবং প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করার সক্ষমতা আছে। পাক আইএসপিআর দাবি করেছে, এই মানববিহীন নৌযানটি কম ঝুঁকিতে বেশি কার্যকর হতে পারবে।