টি-২০ বিশ্বকাপ: ক্যাচ ফস্কে বিপর্যয়, ডাচদের বিরুদ্ধে ‘লজ্জার’ জয় পাকিস্তানের

নেদারল্যান্ডসের মতো দলের কাছে পাকিস্তানি বোলাররা যেভাবে ল্যাজে-গোবরে হল, তা সত্যিই দেখার মতো ছিল।

Published on: Feb 07, 2026 3:48 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

উদ্বোধনী নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের খাতায়-কলমে প্রথম ম্যাচ। আর শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস বিরুদ্ধে কোনও রকমে জয় দিয়ে শুরু করল পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ১৯.৫ ওভারে ১৪৭ রান করে নেদারল্যান্ডস। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ৭ উইকেটে কোনও ক্রমে ১৪৮ রান তোলে পাকিস্তান।

ডাচদের বিরুদ্ধে লজ্জার জয় পাকিস্তানের
ডাচদের বিরুদ্ধে লজ্জার জয় পাকিস্তানের

নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিং

ভারত ম্যাচ বয়কট করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে পাকিস্তান। তবে যে দল দুর্বল নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এমন কষ্টার্জিত জয়লাভ করে, ভারতের বিরুদ্ধে সেই দলের খেলাটাই কার্যত আকাশকুসুম স্বপ্ন। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের কাছে হারলে পাকিস্তানের যে কী অবস্থা হবে, সেটা অনুমান করা যেতেই পারে। শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। শুরুতেই ব্যাট হাতে নেদারল্যান্ডসের শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভাল হয়নি। মাত্র ৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান নেদারল্যান্ডসের ওপেনার ম্যাক্স ও'দাউদ। এরপর তৃতীয় এবং চতুর্থ উইকেটে যথাক্রমে ৩৪ এবং ৪০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে। এটাই ডাচ ইনিংসের স্কোর সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যায়। নেদারল্যান্ডসের হয়ে সর্বাধিক ৩৭ রান করেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। তাঁর ব্যাট থেকে ৩ চার এবং ১ ছক্কা বেরিয়ে আসে। পাশাপাশি ৩০ রান করেন বাস ডি লিড এবং ২০ রান জমা হয় কলিন অ্যাকরমানের খাতায়। শেষ পর্যন্ত ১ বল বাকি থাকতেই নেদারল্যান্ডস ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায়।

এদিন নেদারল্যান্ডসের মতো দলের কাছে পাকিস্তানি বোলাররা যেভাবে ল্যাজে-গোবরে হল, তা সত্যিই দেখার মতো ছিল। দলের প্রিমিয়াম ফাস্ট বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি ৩ ওভার বল করে দেন ২৮ রান। ইকোনমি রেট ৯.৩৩। দুটো করে উইকেট শিকার করেন মহম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ এবং সায়েম আইয়ুব। সর্বাধিক তিনটে উইকেট নেন সলমন মির্জা। এমন বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পাকিস্তানের কষ্টের জয়

জয়ের জন্য ১৪৮ রানের টার্গেট সামনে রেখে ব্যাট করতে নেমেছিল পাকিস্তান। কিন্তু, দলের ব্যাটারদের হাল যে আরও খারাপ হবে, সেটা কেউ কল্পনা করতে পারেননি। এদিন ম্যাচে সর্বাধিক ৩১ বলে ৪৭ রান করলেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। এছাড়া কেউ ৩০ রানের চৌকাঠও পেরোতে পারেননি। আরও একবার চূড়ান্ত ব্যর্থ হলেন বাবর আজম। ১৮ বলে মাত্র ১৫ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। একই অবস্থা অধিনায়ক সলমন আলি আঘার। তিনি করেন মাত্র ১২ রান। এরপর পাকিস্তানের মিডল অর্ডার কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। স্কোরবোর্ডে খাতাই খুলতে পারেননি উইকেটকিপার উসমান খান। শেষকালে কোনওরকমে মান বাঁচান ফাহিম আশরফ। ১১ বলে অপরাজিত ২৯ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩ বল বাকি থাকতে পাকিস্তান ম্যাচে জয়লাভ করে।