Pakistani CDF Munir on India: বাঙ্কারে লুকিয়ে ফিল্ড মার্শাল হওয়া মুনিরের গলায় হুঁশিয়ারি, ভারতের উদ্দেশে বললেন…
দেশের প্রথম সিডিএফ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর জিএইচকিউ-তে (হেডকোয়ার্টার) মুনিরকে সম্মান জানাতে 'গার্ড অফ অনার' প্রদান করা হয়। গার্ড অফ অনারের পর সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মুনির ভাষণ দেন।
পাকিস্তানের চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্স পদে বসে প্রথম ভাষণেই ফের ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য আসিম মুনিরের। সঙ্গে তাঁর নিশানায় পাকিস্তানের অপর প্রতিবেশী আফগানিস্তানও। এর আগে পহেলগাঁও হামলার প্রাক্কালেও মুনির উস্কানিমূলক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। আর এবার ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্সে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি বললেন, 'পাকিস্তান পরের বার ভারতের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হবে।'
দেশের প্রথম সিডিএফ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর জিএইচকিউ-তে (হেডকোয়ার্টার) মুনিরকে সম্মান জানাতে 'গার্ড অফ অনার' প্রদান করা হয়। গার্ড অফ অনারের পর সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মুনির ভাষণ দেন। মুনির নিজের সেই ভাষণেই বলেন, 'ভারত যেন কোনও ভুল ধারণায় না থাকে। পরের বার পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া আরও দ্রুত এবং আরও কঠোর হবে। তালিবান শাসনকেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের পাকিস্তান বা ফিতনা আল-খারিজের (টিটিপি) মধ্যে যেকোনও একটি পথ বেছে নিতে হবে। পাকিস্তান শান্তিপ্রিয় দেশ। কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। পাকিস্তানের ধারণা অজেয়। যাকে রক্ষা করছে বিশ্বস্ত যোদ্ধারা।'
এদিকে মুখে ভারতের বিরুদ্ধে 'আরও কঠোর' হওয়ার বার্তা দিলেও গত মে মাসের সংঘাতে ভারতের কাছে মুনিরের বাহিনী এমনই মার খেয়েছিল, যে তিনি নিজেই নাকি বাঙ্কারে লুকিয়ে পড়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এরপরই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এরপর ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি পরিকাঠামো লক্ষ্য করে 'অপারেশন সিঁদুর' শুরু করে ভারত। ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে শতাধিক সন্ত্রাসবাদীকে খতম করে ভারত। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জনের জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এই আবহে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল।
পাকিস্তান ভারতীয় বিমানঘাঁটিগুলিতে আঘাত হানার চেষ্টা করেছিল। পালটা জবাবে পাকিস্তানের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছিল ভারত। পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দিয়েছিল ভারত। রাওয়ালপিন্ডি, করাচি, লহোরের মতো শহরে আছড়ে পড়েছিল ভারতীয় মিসাইল। এই আবহে পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির জন্য কাতর আর্তি জানিয়েছিল ভারতের কাছে। সেই আর্তি মেনে অপারেশন সিঁদুর স্থগিত করতে সহমত হয়েছিল ভারত।
পরে ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান অমরপ্রীত সিং জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল লড়াইয়ের সময়। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।












