'ভারতের অগ্রগতির প্রমাণ...,' রাজধানীতে AI সামিটে ইঙ্গিতবাহী বার্তা PM মোদীর
সোমবার উদ্বোধনের পূর্বে ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ নিয়ে নিজের প্রত্যাশা জনগণের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-র প্রভাব নিয়ে পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরু হল নয়া দিল্লিতে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত ‘এআই ইমপ্যাক্ট’ সামিটে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের ৬৫টি দেশের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত থাকবেন একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান ও বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থার সিইওরা। আর এই সম্মেলন শুরু হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় থেকে ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ (সকলের ভাল, সকলের সুখ)-এর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সোমবার উদ্বোধনের পূর্বে ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ নিয়ে নিজের প্রত্যাশা জনগণের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, 'এআই নিয়ে আলোচনায় গোটা বিশ্ব সমবেত হয়েছে। আজ থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর আয়োজন করছে। আমি রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পকর্তা, উদ্যোগপতি, নীতিনির্ধারক, গবেষকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।' একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, 'এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। অর্থাৎ, সকলের ভাল। সকলের সুখ। এটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষকেন্দ্রিক উন্নতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরে।' তিনি আরও বলেন, এই আয়োজন দেশের যুবসমাজের প্রতিভা ও সম্ভাবনার পরিচয় বহন করছে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের দ্রুত অগ্রগতির প্রমাণ দিচ্ছে।
‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’
এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬।' এইচটি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুই শিল্পপতি বা মন্ত্রী-আমলারা নয়, এই সম্মেলনে যোগ দিতে চলেছেন বিশ্বের ১৩টি দেশের প্রতিনিধিরাও। সুতরাং বলা যেতে পারে, নয়া দিল্লির বুকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কেন্দ্র করে এ যেন এক আস্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলন। যাতে যোগ দিতে প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়া, জাপান, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া, এস্তোনিয়া, তাজাকিস্তান এবং আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিরা। অনুমান করা হয়েছে, এই সম্মেলনে প্রতিদিন প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ দর্শক হিসাবে অংশগ্রহণ করবেন। বক্তৃতা করবেন ৩ হাজারের অধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
এছাড়াও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা এবং রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-এর উপস্থিতির কথা জানা গিয়েছে। এদিন শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ থাকলেও, ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্যও দরজা খুলে দেওয়া হবে। প্রযুক্তি জগতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে এবং বিশ্বব্যাপী এআই সহযোগিতায় নতুন দিশা দেখাতেই এই ঐতিহাসিক সামিট আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে, মাক্রোঁ, লুলা ছাড়াও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরাকুমার দিশানায়েকে, গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস এই সম্মেলনে যোগ দেবেন।
E-Paper











