Modi on Vande Mataram slams Congress: মুসলিমদের না চটাতেই বন্দে মাতরমে আপত্তি ছিল নেহরুর? সংসদে মোদী বললেন…
মোদী বলেন, কংগ্রেস মুসলিম লিগের সামনে মাথা নত করেছিল এবং বন্দে মাতরমও ভাগ করেছিল। এই সবকিছু শুধু তোষণের জন্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, কংগ্রেসের নীতি এখনও একই রয়েছে এবং তাদের সহকর্মীরাও বন্দে মাতরম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেন।
লোকসভায় আজ বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই আলোচনার সময়ই ফের একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিশানায় কংগ্রেস এবং নেহরু। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের না চটাতেই বন্দে মাতরম গানটিকে ভেঙে ব্যবহার করেছিল কংগ্রেস। মোদী বলেন, কংগ্রেস মুসলিম লিগের সামনে মাথা নত করেছিল এবং বন্দে মাতরমও ভাগ করেছিল। এই সবকিছু শুধু তোষণের জন্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, কংগ্রেসের নীতি এখনও একই রয়েছে এবং তাদের সহকর্মীরাও বন্দে মাতরম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

মোদী বলেন, 'বন্দে মাতরমের সঙ্গে এত বড় অবিচার কেন করা হয়েছিল? বন্দে মাতরমের সঙ্গে কেন বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল? আমি মনে করি, আজ যখন আমরা বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি নিয়ে আলোচনা করছি, তখন আমাদের নতুন প্রজন্মকে সেই পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো আমাদের দায়িত্ব। মুসলিম লিগের সামনে হাঁটু গেড়ে বসেছিল কংগ্রেস। বন্দে মাতরমের মাধ্যমে মুসলিম লিগের রাজনীতি গতি লাভ করে। ১৯৩৭ সালের ১৫ অক্টোবর লখনউ থেকে বন্দে মাতরমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্লোগান উত্থাপিত হয়েছিল। তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি পণ্ডিত নেহরু মুসলিম লিগের বক্তব্যের নিন্দা করার পরিবর্তে, বন্দে মাতরমের প্রতি তাঁর এবং দলের আনুগত্য প্রকাশ করার পরিবর্তে জিন্নাহকে একটি চিঠি লিখেছিলেন নেহরু। তাতে তিনি বলেছিলেন, আনন্দমঠের পটভূমি মুসলমানদের বিরক্ত করতে পারে। এরপরে ২৬ অক্টোবর থেকে কংগ্রেসের বৈঠকে বন্দে মাতরমের পর্যালোচনা করা হয়েছিল। এরপরই বন্দে মারাম নিয়ে কংগ্রেসের মধ্যে একটি সমঝোতা হয় এবং তা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।'
এদিকে মোদী আরও বলেন, 'বন্দে মাতরমের ১০০ বছর পূর্তির সময় দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। এখন বন্দে মাতরমের ১৫০তম বার্ষিকীতে এর গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার ভালো সুযোগ রয়েছে আমাদের কাছে।' এর আগে মোদী বলেন, 'ব্রিটিশরা ভারতকে বিভক্ত করার জন্য পশ্চিমবঙ্গকে বেছে নিয়েছিল। ব্রিটিশরা বুঝতে পেরেছিল যে ১৮৫৭ সালের পরে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে বেঁচে থাকা তাদের পক্ষে কঠিন ছিল। তারা বুঝেছিল, ভারতকে বিভক্ত না করলে, ভারতকে টুকরো টুকরো না করলে, ভারতে মানুষকে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাধ্য না করলে এখানে শাসন করা কঠিন হবে। ব্রিটিশরা বিভাজন ও শাসনের পথ বেছে নিয়েছিল এবং বাংলাকে তাদের গবেষণাগারে পরিণত করেছিল।'
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, 'এই সব এমন একটি সময় ছিল যখন বাংলার বুদ্ধিশক্তি দেশকে দিশা দেখাচ্ছিল। বাংলা দেশকে শক্তি যুগিয়েছেন। বাংলা দেশকে অনুপ্রাণিত করত। সেজন্য ব্রিটিশরা বাংলার বিভাজনের জন্য কাজ করেছিল। ব্রিটিশরা বিশ্বাস করত, বাংলা ভাগ হয়ে গেলে দেশও ভেঙে যাবে। ১৯০৫ সালে বাংলা বিভাজন করা হয়। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশরা যখন এই পাপ করেছিল, তখন বন্দে মাতরম একটি পাহারের মতো দাঁড়িয়ে ছিল ব্রিটিশদের সামনে।'












