Clash in Dhaka: ঢাকার রাস্তায় ধুন্ধুমার! আহত হাদির সংগঠনের নেতা,নেত্রীরা, আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োগ? ইউনুসের পুলিশ বলছে..

ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদ ঘিরে কী ঘটল বাংলাদেশে?

Published on: Feb 06, 2026 6:54 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদিকে ঢাকার রাস্তায় দিনে দুপুরে গুলি করে পালায় দুষ্কৃতীরা। এরপর তাঁর চিকিৎসা চললেও, শেষমেশ মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন হাদি। এরপর থেকে বাংলাদেশ তপ্ত হলেও, এখনও পর্যন্ত ওসমান হাদির খুনে মূল অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি ইউনুস সরকারের পুলিশ। এরই মাঝে ওসমান হাদির খুনের বিচার চেয়ে এদিন ঢাকার রাস্তায় প্রতিবাদে মুখর হয় হাদির সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। তারা মহম্মদ ইউনুসের সরকারি বাসভবন যমুনার দিকে এগোতেই ইউনুস সরকারের পুলিশ নামে অ্যাকশনে। শুরু হয় দুপক্ষের সংঘর্ষ। ঘটনায় বহুজন আহত হয়েছেন বলে খবর।

ঢাকার রাস্তায় ধুন্ধুমার! আহত হাদির সংগঠনের নেতা, নেত্রীরা, আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োগ? ইউনুসের পুলিশ বলছে..
ঢাকার রাস্তায় ধুন্ধুমার! আহত হাদির সংগঠনের নেতা, নেত্রীরা, আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োগ? ইউনুসের পুলিশ বলছে..

এদিকে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের ফেসবুক আইডি থেকে জানানো হয়েছে, শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যদিও ইউনুস সরকারের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে,'তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তবে কেউ গুলিবিদ্ধ নয়।' পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। এর আগে, হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে যমুনার সামনে অবস্থান করছে ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে রাতভর অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, আবদুল্লাহ আল জাবের এবং ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ অন্যরা।

এদিন তাঁরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন, তথা মহম্মদ ইউনুসের সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র অভিমুখে মিছিল করে যাত্রা করেন। তখনই তাঁদের আটকাতে যায় পুলিশ। এরপর বিক্ষোভরত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে। তবে পুলিশের দাবি এক্ষেত্রে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি পুলিশ। ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন বিক্ষোভকারী ও সামান্য আহত হয়, বলে জানানো হয়েছে। এ নিয়ে কোনও প্রকার অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশবাসীকে বিনীত অনুরোধ করা হয়।

বেশ কিছু রিপোর্ট দাবি করছে, শুক্রবার বিকালে সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময়ই পরিস্থিতি কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। ইনকিলাব মঞ্চের তরফেও পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল সহ নানান কিছু ছোঁড়া হয়। এদিকে, সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, তাদের নেত্রী জুমা ও শান্তাকে আঘাত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটমুখী বাংলাদেশে পরিস্থিতি ক্রমেই তপ্ত হচ্ছে।