প্রধানমন্ত্রীর দফতর এখন 'সেবা তীর্থ', পালটে গেল নাম, বার্তাটা কী দিল মোদী সরকার?

একটি যুগের সমাপ্তি, একটি নতুন যুগের সূচনা. হল। ১ ডিসেম্বর থেকে ভারতের মানচিত্রে রাজতন্ত্রের প্রতীকগুলিও মুছে ফেলা হয়েছে। এখন দেশের প্রত্যেক রাজ্যে রাজ্যপাল ভবন থাকবে না, জনগণের নিজস্ব ‘লোকভবন’ থাকবে। আর দিল্লির ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন নাম হল - ‘সেবাতীর্থ’।

Published on: Dec 02, 2025 4:43 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

একটি যুগের সমাপ্তি, একটি নতুন যুগের সূচনা. হল। ১ ডিসেম্বর থেকে ভারতের মানচিত্রে রাজতন্ত্রের প্রতীকগুলিও মুছে ফেলা হয়েছে। এখন দেশের প্রত্যেক রাজ্যে রাজ্যপাল ভবন থাকবে না, জনগণের নিজস্ব ‘লোকভবন’ থাকবে। আর দিল্লির ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন নাম হল - ‘সেবাতীর্থ’। দেশের সব রাজ্যেই রাজভবনের নাম পরিবর্তন করে 'লোকভবন' করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে এই পরিবর্তন অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন কমপ্লেক্সের নাম রাখা হয়েছে 'সেবাতীর্থ'। অর্থাৎ বার্তাটা স্পষ্ট, এই ভবন আর ক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং জনসেবার প্রতীক হয়ে থাকবে। শাসকের কাজ জনগণের সেবা করা, ক্ষমতার ঐশ্বর্যের মধ্যে ডুবে যাওয়া নয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PMO)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PMO)

দিনকয়েক আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজভবনের পালটে লোকভবন করা হয়েছে। সেইসময় পশ্চিমবঙ্গের ‘জনভবন’-র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২০২৩ সালের ২৭ মার্চ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সিভি আনন্দ বোসের অনুরোধে তৎকালীন রাজভবনের প্রতীকী চাবি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তেই সূচনা হয় মানুষের রাজভবন – জন রাজভবনের একটি নতুন অধ্যায়।’

আরও পড়ুন: 'শ্রীলঙ্কায় এক্সপায়ারি ডেট পেরনো ত্রাণ পাঠাল পাক', বিষ খাইয়ে বন্ধুত্বের নাটক?

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জন রাজভবনের ধারণার পিছনে ছিল মানুষকে রাজভবনের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষা—মানুষের আশা-স্বপ্ন, সমস্যাবলী ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে ভবনটিকে জীবন্ত করে তোলা। এর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক স্থাপনা ভয়ের প্রতীক না থেকে সকলের জন্য উন্মুক্ত ও মানবিক হোক—এই ছিল মূল উদ্দেশ্য। গত তিন বছরে জন রাজভবন মানুষের জন্য বহু সৃজনশীল এবং কল্যাণমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। এর অন্যতম ভিত্তি ছি— মানুষের প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।'

আরও পড়ুন: Indian Navy on Rafale Fighter Jets: ২০২৯-র মধ্যে ৪ রাফাল পাবে নৌসেনা, ‘যে কোনও জায়গায়’ যেতে রাজি, হুংকার প্রধানের

ওই সেইসঙ্গে রাজভবনের তরফে বলা হয়েছে, ‘রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে হিংসা, প্রাকৃতিক বিপর্যয় কিংবা নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে জন রাজভবন মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রূপান্তরমুখী নেতৃত্বে দেশের মানুষ আজ সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে উন্নয়নমুখী জাতি গঠনের পথে—বিকশিত ভারতের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রায়। এই ভাবনা অনুসারেই ২৫ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দেশের সকল রাজভবন ও রাজনিবাসের নাম যথাক্রমে লোক ভবন ও লোকনিবাস করা হয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন রাজভবন এবং তার অধীনস্থ সকল ভবন এখন থেকে সর্বজনীনভাবে লোক ভবন নামে পরিচিত হবে।’

News/News/প্রধানমন্ত্রীর দফতর এখন 'সেবা তীর্থ', পালটে গেল নাম, বার্তাটা কী দিল মোদী সরকার?