ভারতের প্রধান বিচারপতিকে কি ভরসা করেন না প্রধানমন্ত্রী? হঠাৎ কী বলে দিলেন রাহুল?

লোকসভায় নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মঙ্গলবার 'ভোট চুরি'-কে সবচেয়ে বড় দেশবিরোধী কাজ বলে অভিহিত করেন। অভিযোগ করেন যে শাসক দলের থাকা নেতা-নেত্রীরা এই কাজ চালাচ্ছেন। ভারতের ধাণাকে ধ্বংস করছেন।

Published on: Dec 09, 2025 9:17 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

লোকসভায় নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মঙ্গলবার 'ভোট চুরি'-কে সবচেয়ে বড় দেশবিরোধী কাজ বলে অভিহিত করেন। অভিযোগ করেন যে শাসক দলের থাকা নেতা-নেত্রীরা এই কাজ চালাচ্ছেন। ভারতের ধাণাকে ধ্বংস করছেন। নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় ক্ষমতাসীন দল এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান দখল করার অভিযোগও করেন কংগ্রেস নেতা। তিনি বলেন, নির্বাচনের এক মাস আগে সব রাজনৈতিক দলকে মেশিন-রিডেবল ভোটার তালিকা, ভোটের সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ইভিএম কাঠামো সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

রাহুল গান্ধী। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
রাহুল গান্ধী। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

একইসঙ্গে তিনি কেন্দ্রকে নিশানা করে এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারকে প্রশ্ন করেছিলেন যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নির্বাচন করা প্যানেল থেকে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য কেন তারা এত আগ্রহী। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, 'কেন প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচক প্যানেল থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? প্রধান বিচারপতিকে বিশ্বাস করছেন না?

এমনিতে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলেছে তরজাও। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘বন্দে মাতরমের সঙ্গে এত বড় অবিচার কেন করা হয়েছিল? বন্দে মাতরমের সঙ্গে কেন বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল? আমি মনে করি, আজ যখন আমরা বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি নিয়ে আলোচনা করছি, তখন আমাদের নতুন প্রজন্মকে সেই পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো আমাদের দায়িত্ব। মুসলিম লিগের সামনে হাঁটু গেড়ে বসেছিল কংগ্রেস। বন্দে মাতরমের মাধ্যমে মুসলিম লিগের রাজনীতি গতি লাভ করে।’

আরও পড়ুন: Delhi Terrorist Attack: প্রমাণ নষ্ট, 'জঙ্গি ডাক্তার' উমরকে লুকিয়েছিল- দিল্লি হামলায় ধৃত অষ্টম জন বিলাল

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, '১৯৩৭ সালের ১৫ অক্টোবর লখনউ থেকে বন্দে মাতরমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্লোগান উত্থাপিত হয়েছিল। তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি পণ্ডিত নেহরু মুসলিম লিগের বক্তব্যের নিন্দা করার পরিবর্তে, বন্দে মাতরমের প্রতি তাঁর এবং দলের আনুগত্য প্রকাশ করার পরিবর্তে জিন্নাহকে একটি চিঠি লিখেছিলেন নেহরু। তাতে তিনি বলেছিলেন, আনন্দমঠের পটভূমি মুসলমানদের বিরক্ত করতে পারে। এরপরে ২৬ অক্টোবর থেকে কংগ্রেসের বৈঠকে বন্দে মাতরমের পর্যালোচনা করা হয়েছিল। এরপরই বন্দে মারাম নিয়ে কংগ্রেসের মধ্যে একটি সমঝোতা হয় এবং তা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।'

আরও পড়ুন: Microsoft investment in India: ‘এশিয়ায় ইতিহাস….’, ভারতে ১.৪ লাখ কোটি টাকা ঢালবে মাইক্রোসট, বাংলার কপালে জুটবে?