তিনবার ভোট না দিলেই ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা যাবে, প্রস্তাব লোকসভায়
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) মধ্যেই নয়া পরামর্শ দিলেন রাজস্থানের সাংসদ হনুমান বেনিওয়াল। তিনি বলেছেন, যাঁরা তাদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন নন এবং তিনবার ভোট দেবেন না, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছে ফেলা উচিত।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) মধ্যেই নয়া পরামর্শ দিলেন রাজস্থানের সাংসদ হনুমান বেনিওয়াল। তিনি বলেছেন, যাঁরা তাদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন নন এবং তিনবার ভোট দেবেন না, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছে ফেলা উচিত। সংসদে নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনায় বেনিওয়াল এই পরামর্শ দেন। রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির (আরএলপি) প্রধান এবং নাগৌরের দ্বিতীয়বারের সাংসদ হনুমান বেনিওয়াল বাধ্যতামূলকভাবে ভোটের দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাধ্যতামূলকভাবে ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি তা করা না যায়, তবে কেবল তিনবার দিতে হবে। তাঁর কথায়, ‘আমি ভোট বাধ্যতামূলক করার দাবিও জানাচ্ছি। যদি আপনি তা করতে না পারেন, তাহলে দেখবেন যে কেউ যদি তিনবার ভোট না দেন তবে তিনি জানেন না, তার ভোট কেটে দেওয়া উচিত। এটা আমার পরামর্শ।’
তিনি বলেন, ভোটতালিকা দীর্ঘ হয়, শতাংশ কম বলা হয় এবং অন্যভাবে ভোট দেওয়া হয়। বেনিওয়াল রাজস্থানে এসআইআরের সময়সীমা এক মাস বাড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'এসআইআরের শেষ তারিখ ১১ ডিসেম্বর। দলিত, এসসি-এসটি, ওবিসি মানুষেরা গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং দক্ষিণের অন্যান্য রাজ্যে রোজগারের জন্য যান। সেই লোকটি এত কাগজপত্র সংগ্রহ করতে পারবে না। আমি অনুরোধ করছি এটি আরও এক মাস বাড়ানো হোক। দ্বিতীয়ত, তাঁদের ভোট কাটা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গণতন্ত্র তখনই বাঁচবে যখন প্রত্যেক মানুষের ভোটাধিকার থাকবে।'
এমনিতে এসআইআর নিয়ে বুধবার সংসদে কড়া বার্তা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিরোধীদের কটাক্ষ করে শাহ বলেন, 'এসআইআর আর কিছু নয়, এটা স্রেফ ভোটার তালিকার সংশোধন। আমি মেনে নিচ্ছি যে এটার কারণে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের ঘা লাগবে। ওই দলগুলির প্রতি একদিক থেকে আমার সহানুভূতিও আছে। কারণ দেশের ভোটাররা তো ভোট দেন না। কয়েকটি ভোট বিদেশিরা দিয়ে দিতেন, সেটাও চলে যাবে। কিন্তু ভারতীয় হিসেবে আমাদের ঠিক করতে হবে যে এই দেশের সাংসদদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে, রাজ্যের বিধায়কদের নির্বাচনের জন্য বিদেশিদের ভোটাধিকার দেওয়া উচিত কি? আমাদের মতে, সেটা দেওয়া উচিত নয়।
সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শাহ। তিনি বলেন যে বিজেপিও নির্বাচনে হেরেছে। কিন্তু ভোটে হারলেই নির্বাচন কমিশনকে দোষারোপ করেনি। এখন মমতা, হেমন্ত সোরেন, এমকে স্টালিনরাও কমিশনের দিকে আঙুল তুলেছেন। আগে শুধু কংগ্রেস সেই কাজটা করত। কিন্তু বন্ধুত্বের ছোঁয়া লেগে গিয়েছে ইন্ডিয়া জোটের দলগুলিতেও।












