Ramdev on Murshidabad Babri Masjid: ভারতে যারা বাবরকে মহান মনে করে, তারা বিশ্বাসঘাতক, বাবরি মসজিদ নিয়ে বললেন রামদেব

বাবরি মসজিদ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন যোগগুরু বাবা রামদেব। তাঁর বক্তব্য, 'বাবর এই দেশের ছিলেন না। যারা তাঁর প্রশংসা করেন, তারা ভারতের বিশ্বাসঘাতক।'

Published on: Dec 07, 2025 12:08 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড বিধায়ক হুমায়ুন কবির। এ নিয়ে সারা দেশ থেকে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া আসছে। এই আবহে এবার যোগগুরু বাবা রামদেবও মুখ খুললেন। তাঁর বক্তব্য, 'বাবর এই দেশের ছিলেন না। যারা তাঁর প্রশংসা করেন, তারা ভারতের বিশ্বাসঘাতক।' উল্লেখ্য, এই বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর ৬ ডিসেম্বর স্থাপন করা হয়েছিল। এই একই তারিখে অযোধ্যার বাবরি মসজিদটি কারসেবকরা ভেঙে ফেলেছিলেন ১৯৯২ সালে।

বাবরি মসজিদ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন যোগগুরু বাবা রামদেব (PTI)
বাবরি মসজিদ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন যোগগুরু বাবা রামদেব (PTI)

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাবা রামদেব বলেন, ৬ ডিসেম্বর দাসত্বের প্রতীক মুছে ফেলার দিন। ভারতের জনগণ জেগে উঠেছেন। কোনও বিদেশি আক্রমণকারীকে গৌরবান্বিত হতে দেবে না। ভারত বাবরের দেশ নয়। এই দেশ মহারাণা প্রতাপ, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ, চন্দ্রশেখর আজাদ, রাজগুরু, ভগৎ সিং, সনাতন এবং ভগবান শিবের দেশ। বাবর একজন বিদেশি হানাদার ছিলেন, যারা তাকে মহান হিসেবে তুলে ধরতে চায় তারা সবাই ভারতের বিশ্বাসঘাতক। এই ধরনের মানুষের পরিকল্পনা কখনও পূরণ হবে না।' বাবা রামদেব আরও বলেন, 'আমরা ইসলাম বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নই। কারণ বাবর ইসলামের অনুসারী ছিলেন না, মুসলমান ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন নির্মম হামলাকারী। এটাকে গৌরবান্বিত করা উচিত নয়।'

প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তাতে জনজোয়ার নামে। তার জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের তরফে বাবরি মসজিদ তৈরির ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি মাথা নোয়াবেন না। প্রয়োজনে শহিদ হয়ে যাবেন। কিন্তু বাবরি মসজিদ তৈরি করেই ছাড়বেন বলে দাবি করেন হুমায়ুন।