Red Fort Blast Case Update: ছিল ড্রোন হামলার ছক, লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে 'কারিগরি মাথার' NIA হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল

জসির বিলাল ওয়ানি হল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার কাজিগুন্ডের বাসিন্দা। ওয়ানিকে ১৭ নভেম্বর শ্রীনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল এনআইএ। অভিযোগ, ওয়ানি সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ড্রোনে কারিগরি এবং রকেট তৈরির চেষ্টা করেছিল।

Published on: Dec 04, 2025 7:10 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

লালকেল্লায় বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত জসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশের এনআইএ-র হেফাজতের মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়িয়েছে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। এর আগে ২৭ নভেম্বর তাকে সাত দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠিয়েছিল আদালত। সেই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বুধবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। এরপর বুধবার তাকে আরও সাতদিনের এনআইএ হেফাজ পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

লালকেল্লায় বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত জসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশের এনআইএ-র হেফাজতের মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়িয়েছে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। (PTI)
লালকেল্লায় বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত জসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশের এনআইএ-র হেফাজতের মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়িয়েছে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। (PTI)

এই জসির বিলাল ওয়ানি হল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার কাজিগুন্ডের বাসিন্দা। ওয়ানিকে ১৭ নভেম্বর শ্রীনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল এনআইএ। অভিযোগ, ওয়ানি সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ড্রোনে কারিগরি এবং রকেট তৈরির চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে লালকেল্লায় বিস্ফোরণ মামলায় সব স্তরের বিচার পর্যবেক্ষণের জন্য একটি প্যানেল গঠনের আবেদন করা হয়েছিল উচ্চ আদালতে। সেই আবেদন খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত বলে, মামলার বিচার এখনও শুরু হয়নি। পিটিশনে উত্থাপিত বিষয়টি কেবল আশঙ্কা।

এদিকে ১০ নভেম্বরের বিস্ফোরণ ঘটানো চিকিৎসক জঙ্গি উমর মহম্মদের যোগ ছিল পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে। 'উকাসা' নামে এক বিদেশি উমরের হ্যান্ডলার হিসেবে কাজ করছিল। সেই উসাকাই নাকি ছিল ডাক্তার মডিউল এবং পাক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র। এই আবহে উসাকার বিষয়ে আরও জানতে তদন্ত জারি রেখেছে এনআইএ। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ সালে তুরস্কের আঙ্কারাতে উমর এবং তার তিন সহযোগী একসঙ্গে সময় কাটিয়েছিল। সেই তখন থেকে এই ডাক্তার মডিউলের সূচনা। প্রাথমিক ভাবে টেলিগ্রামে এই ভারত বিরোধী চিকিৎসকদের কথা হয়েছিল। তারপর তারা সিগনাল এবং সেশন নামক অন্য এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপে চলে যায়। তদন্তে উঠে এসেছে, 'উসাকা' নাকি এই ডাক্তার মডিউলকে কোভার্ট অপারেশন চালানোর বিষয়ে পরামর্শ দিত এবং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট মুছতে সাহায্য করত।

এই মডিউল নাকি একসঙ্গে একাধিক ভারতীয় শহরে হামলার ছক কষেছিল। এক জন্য উমর তিনটি গাড়ি কিনেছিল। এর মধ্যে সিলভার রঙের আই২০ গাড়িটি বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে। একটি লাল রঙের ফোর্ড ইকোস্পোর্ট গাড়ি হরিয়ানার গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও একটি মারুতি সুজুকি ব্রেজ্জার খোঁজে তল্লাশি চলছে। এদিকে আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয়েক চিকিৎসক তথ উমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ডঃ মুজাম্মিল শেখকে জেরা করে চলেছেন এনআইএ-র অফিসাররা। উমরের সঙ্গে নাকি এই মুজাম্মিল লালকেল্লার রেকি করেছিল। উল্লেখ্য, এই মডিউলের কাছ থেকে প্রায় ৩০০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী, অযোধ্যার রামন্দিরের ধ্বজা উত্তোলনের দিন (২৫ নভেম্বর) কিংবা ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন হামলার ছক কষেছিল তারা। কিছু কিছু রিপোর্টে আবার দাবি করা হয়, ৬ ডিসেম্বর, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনও হামলার ছক কষেছিল এই চিকিৎসক মডিউলের জঙ্গিরা।